kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

ইউএনডিপি-বিজিএমইএ প্রতিবেদন

এসডিজি অর্জনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে পোশাক খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্ধারিত সময়ে টেকসই লক্ষ্য অর্জনে (এসডিজি) দেশের তৈরি পোশাক খাত ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করে যাচ্ছে বলে এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ‘বাংলাদেশ জাতীয় অগ্রাধিকার সূচক (এনপিআই) ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) ওপর বেসরকারি খাতের প্রভাব’ শীর্ষক এক সমীক্ষায় এমন তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে ৯টি খাতে সন্তোষজনক অগ্রগতিও হয়েছে।

গতকাল রবিবার ভার্চুয়ালে মাধ্যমে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক রোয়েনা আজিজ। বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভেরওয়েজ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নাহিদ রশিদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, দেশের ওভেন, নিট ও সোয়েটারসহ মোট ৪৭টি কারখানায় এই জরিপ চালানো হয়।  তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) যৌথভাবে এই জরিপ পারিচালনা করে। এতে সহযোগিতা করেছে এসআর এশিয়া।

জরিপে সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান, সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করা, মানসম্মত শিক্ষা, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য জ্বালানি, শোভন কাজ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, শিল্পে উদ্ভাবন ও অবাকাঠামো নির্মাণ, পরিমিত খরচ ও টেকসই উৎপাদন এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোয়েনা আজিজ বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে সরকার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তবে করোনার কারণে বর্তমানে কিছুটা প্রভাব পড়লেও সরকার সতর্কতার সঙ্গে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আশা করছি, দ্রুত এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে দেশ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি বলেন, বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তীতে বড় অর্জন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন। গত তিন দশকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বড় শিল্প তৈরি পোশাক খাত। এই খাতটিও করোনার কারণে বড় ধরনের সংকটে পড়ছে। এরই মধ্যে পোশাক খাতের এসডিজি অভীষ্ট অর্জনের অগ্রগতি বেশ প্রশংসনীয়।

রুবানা হক বলেন, দায়িত্বশীলতায় শুধু বেসরকারি খাতেরই দায় নয়, এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বিশেষ করে তিনি পোশাকের নায্য দামের ব্যাপারে ক্রেতাদেরও নৈতিক আচরণ আশা করেছেন।