kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৭ জুলাই ২০২১। ১৬ জিলহজ ১৪৪২

সাংস্কৃতিক কর্মকর্তাকে হত্যা ‘যৌতুকের জন্য’

টাঙ্গাইল ও মির্জাপুর প্রতিনিধি   

২৯ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যৌতুকের টাকা না পেয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে স্বজনরা। এই অভিযোগে রেদওয়ানার স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন নিহতের ছোট ভাই খন্দকার মো. আরশাদুল আবিদ।

২২ মার্চ কন্যাসন্তান প্রসবের পর গত শনিবার বিকেলে মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালের দোতলায় রেদওয়ানাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করে আসছে স্বজনরা। ঘটনার পর থেকে মিজান পলাতক।

মিজানের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুরের চার ভাঙ্গারিয়া গ্রামে। তিনি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ভোলা সদরের মহাজনপট্টি শাখায় কর্মরত বলে জানা গেছে। অন্যদিকে রেদওয়ানার বাড়ি রংপুর সদর উপজেলার ইসলামপুর হনুমানতলায়।

রেদওয়ানার ছোট বোন খন্দকার ফাদওয়ানা ইসলাম ও ছোট ভাই খন্দকার আরশাদুল আবিদ জানান, ২০১৯ সালের ১৮ মে রেদওয়ানা ও মিজান নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেন। এটা ছিল উভয়ের দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের কিছুদিন যেতেই মিজান বিভিন্ন অজুহাতে রেদওয়ানার কাছে টাকা দাবি করতে থাকেন। টাকা না দিলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনও চালাতেন। একাধিকবার হত্যার চেষ্টা ও হুমকিও দিয়েছেন। বিয়ের দুই বছরে রেদওয়ানার কাছ থেকে মিজান ১৫ লাখ টাকা নিলেও সম্প্রতি আরো ৪০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকার জন্য মিজান একটি ফাঁকা চেকে রেদওয়ানার সই নিয়ে রাখেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ শুরু হয়। এর মধ্যে রেদওয়ানার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি মিজান মানতে পারেননি। তিনি রেদওয়ানার গর্ভপাত ঘটানোর চেষ্টাও করেছিলেন।