kalerkantho

সোমবার । ২ কার্তিক ১৪২৮। ১৮ অক্টোবর ২০২১। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সফরে চার এমওইউ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সফরে চার এমওইউ

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহর বাংলাদেশ সফরে দুই দেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঢাকায় দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে বৈঠকে অন্য ইস্যুগুলোর মধ্যে মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আজ বুধবার সকালে ঢাকায় আসছেন। সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সহধর্মিণী ফার্স্ট লেডি ম্যাডাম ফাজনা আহমেদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থনৈতিক

উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রীসহ মোট ২৭ জন অতিথি আসবেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট এরপর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে এবং ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সম্মান জানাবেন। তিনি আজ বিকেলে ন্যাশনাল প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং বক্তব্য দেবেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। সন্ধ্যায় তিনি যাবেন বঙ্গভবনে। সেখানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর রাষ্ট্রপতির আতিথেয়তায় রাষ্ট্রীয় ভোজে অংশ নেবেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের ঢাকা ছাড়ার কথা।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের সফরের গুরুত্ব বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা ওই দেশটির মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ। তা ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য, মৎস্য, স্বাস্থ্য, পর্যটনসহ ক্ষেত্রভিত্তিক আঞ্চলিক সহযোগিতায় মালদ্বীপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের সম্ভাবনা আছে। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরে দুই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের বিরাজমান সুসম্পর্ক আরো জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আরো নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে বলে আশা করছে ঢাকা।



সাতদিনের সেরা