kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৯ জুলাই ২০২১। ১৮ জিলহজ ১৪৪২

বগুড়া ছাত্রলীগ

মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন সেই নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

১৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আহত বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তাকবীর ইসলাম খান পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে হেরে গেলেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আগের দিন রাতে তাঁকে নেওয়া হয়েছিল আইসিইউতে। তাকবীর বগুড়া শহরের মালতীনগর স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে। তাঁর মৃত্যুর খবর অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কানে পৌঁছলে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তাকবীরের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি হলেন বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ (২৭)। রাজনৈতিক আদর্শে তাকবীর ও রউফ সহযোদ্ধা হলেও দুজনই ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী। আর দলীয় ও ব্যক্তিগত ইমেজে সর্বসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ায় শুরু থেকেই রউফের প্রতিহিংসার টার্গেটে ছিলেন তাকবীর। এ কারণে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে শহরের সাতমাথায় জনাকীর্ণ এলাকায় দলবল নিয়ে রউফ বাহিনী তাকবীর এবং তাঁর সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়। মারধরের এক পর্যায়ে আব্দুর রউফ নিজেই তাকবীরের পিঠের নিচে ছুরিকাঘাত করেন।

তাকবীরের মা আফরোজা ইসলাম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করার জন্য তাঁর সহযোদ্ধারাই এই হামলা করেছে। তিনি দাবি করেন, আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ পরিকল্পিতভাবে তাঁর ছেলেকে খুন করেছেন।

বগুড়া সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, গত শনিবার রাতে তাকবীরের মা আফরোজা ইসলাম বাদী হয়ে আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অচেনা আরো ৩০ থেকে ৩৫ জনের নামে মামলা করেন। অন্যদিকে একই ঘটনায় আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ হাসান বাদী হয়ে তাকবীর ইসলাম খানসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অচেনা আরো ২০ থেকে ২৫ জনের নামে মামলা করেন।

তাকবীর হত্যার ব্যাপারে আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমি ভুল করে কাজটি করে ফেলেছি। আসলে তাকবীর আমার ওপর হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল। আত্মরক্ষা করতে গিয়ে আমার সঙ্গে থাকা ছেলেরা এই কাণ্ড ঘটায়।’



সাতদিনের সেরা