kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

৪৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে চম্পট, দেশে ফিরেই গ্রেপ্তার

বিদেশে পালিয়ে যান ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৯ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংক ও ব্যবসায়ীসহ কয়েকজনের কাছ থেকে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া নূর আলম সবুজ (৩৫) নামের এক প্রবাসী গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত শনিবার রাতে দুবাই থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসার পর গ্রেপ্তার হন তিনি। গতকাল সোমবার নোয়াখালীর বিচারিক আদালত তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছেন।

নূর আলম সবুজ সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের সাদেকপুর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। তাঁর গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে পাওনাদাররা গতকাল আদালতে ভিড় জমান।

সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সবুজ চন্দ্র পাল জানান, সবুজ ২০১৯ সালের আগে কাবিলপুরে ইটভাটার ব্যবসা করতেন। সেনবাগ ও ছমির মুন্সির হাটে তাঁর দুটি ইটভাটা ছিল। এ ছাড়া জেলা শহরে দুটি রড-সিমেন্টের দোকান ছিল। বেসরকারি ওয়ান ব্যাংক মাইজদী কোর্ট শাখা থেকে ২৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন ব্যাংকের শাখা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও লোকজন থেকে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা ঋণ নেন তিনি। এরপর ২০১৯ সালের জানুয়ারি বিদেশে পালিয়ে যান। টাকা আত্মসাৎ, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে ওয়ান ব্যাংক কর্তৃপক্ষসহ কয়েকজন পাওনাদার সেনবাগ থানায় ছয়টি ও সুধারাম থানায় দুটি মামলা করেন। এসব মামলায় সবুজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

তিনি জানান, বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় কর্তব্যরত পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। গত রবিবার রাতে সেনবাগ থানায় আনা হয়।

ওয়ান ব্যাংক মাইজদী কোর্ট শাখার ব্যবস্থাপক সাইফুর রহমান জানান, নিলাম বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সবুজের কাছে ৩২ কোটি ৮৬ লাখ ৫৮ হাজার ৯১২ টাকা পাওনা রয়েছে। তিনি ব্যাংক থেকে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ব্রাদার্স ট্রেডিং করপোরেশন ওডি, টাইম লোন ও ব্যাংক গ্যারান্টি বাবদ বিভিন্ন সময়ে মোট ৩২ কোটি টাকা ঋণ নেন।

ব্যবসায়ী নুরনবী জানান, তাঁকে ব্যাংক চেক দিয়ে ৮০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান সবুজ। অপর ব্যবসায়ী আবদুল খালেককেও চেক দিয়ে ৫০ লাখ টাকা নেন তিনি।



সাতদিনের সেরা