kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা

সচেতনতার অভাবে মিলছে না আশানুরূপ ফল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরও ২০১৯-২০২০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে ২০১৯ সালে মাত্র ২৩৯ জন কিশোর ও এক হাজার ৬২৮ জন কিশোরী এবং ২০২০ সালে ৩১২ জন কিশোর ও এক হাজার ৪০০ জন কিশোরী এই স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছে।

আর জেলাওয়ারি হিসাবে পটুয়াখালী ও বরগুনায় এই দুই বছরে কোনো কিশোর-কিশোরী এই সেবা গ্রহণ করেনি। তবে সংখ্যায় কম হলেও বরিশাল বিভাগের কিশোররা অন্য বিভাগের কিশোরদের চেয়ে বেশি এই সেবা নিয়েছে। তবে ভোলার কিশোরদের মধ্যে এই সংখ্যা শূন্য।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) আয়োজিত ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে কিশোর-কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার’ বিষয়ক এক ওয়েবিনারের এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সরকার কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিলেও কেন আশানুরূপ ফল পাওয়া যাচ্ছে না—এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, ২০১৭-২২ কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবাসংক্রান্ত অপারেশন প্ল্যানে বাল্যবিয়ে, কৈশোরকালীন মাতৃত্ব, নারীর প্রতি সহিংসতা, ঋতুকালীন পরিচ্ছন্নতা ও পুষ্টি, মানসিক স্বাস্থ্য এবং ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রকল্প থাকলেও মা-বাবা, অভিভাবক, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ধর্মীয় গুরু, সমাজকর্মী, স্থানীয় মোড়ল ও রাজনৈতিক নেতারা এসব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামান না। আর কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান মান খুবই নাজুক। সেবাদানকারীদের সেখানে খুঁজেই পাওয়া যায় না। ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ড. মোহাম্মদ শরীফ (এমসিএইচ), লাইন ডিরেক্টর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এই ওয়েবিনারে কিশোর-কিশোরীরা তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে।

প্রধান অতিথি ডা. দীপু মনি বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির দায়িত্ব অভিভাবক, শিক্ষক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। বয়ঃসন্ধিকালের শিশুরা মা-বাবা অথবা তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে নিরাপদ যৌন জীবন ও প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো কথা বলে না।