kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

এক মানিকের পরিবর্তে অন্য মানিক জেলে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রায় ১২ বছর আগের একটি মাদক মামলায় ‘মানিক মিয়া’ নামের এক আসামির পরিবর্তে ‘মানিক হাওলাদার’ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ‘নির্দোষ’ মানিকের স্ত্রী। মানিক হাওলাদার পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। মানিকের স্ত্রী স্বামীর মুক্তির পাশাপাশি ‘অবৈধভাবে’ কারাগারে রাখার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামী রবিবার এই বিষয়ে আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

মানিক হাওলাদারের আইনজীবী অ্যাডভোকেট পার্থ সারথী রায় জানান, একটি গাড়িতে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল রাখার অভিযোগে ২০০৯ সালের ২ জুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ওই মামলার আসামি মো. মানিক মিয়াকে ২০০৯ সালের ৩ জুন গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় আসামির বাবার নাম অজ্ঞাত রাখা হয়। প্রকৃতপক্ষে আসামির বাবার নাম ইব্রাহিম মৃধা, মায়ের নাম লুতফা বেগম। তাঁর বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুর ইউনিয়নের মাতলকান্দিতে। ওই বছরই হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান মানিক। কিন্তু জামিন আবেদনে আসামি সখীপুর ইউনিয়নের একটি গ্রাম আলম চাঁন ব্যাপারী কান্দিকে তাঁর ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করেন। এ ছাড়া বাবার নাম দেখানো হয় নজরুল ইসলাম এবং মায়ের নাম দেওয়া হয় রেজিয়া বেগম।

আইনজীবী আরো জানান, মামলায় বিচার শেষে ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মানিক মিয়াসহ চারজনকে চার বছর করে কারাদণ্ড দেন সিরাজগঞ্জের একটি আদালত। রায়ের পর শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুর ইউনিয়নের আলম চাঁন ব্যাপারী কান্দি গ্রামের নজরুল ইসলাম এবং রেজিয়া বেগমের ছেলে মানিক হাওলাদারকে গতবছর ২৮ নভেম্বর ভেদরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।