kalerkantho

সোমবার । ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ৮ মার্চ ২০২১। ২৩ রজব ১৪৪২

মোমেন-ব্লিনকেন বৈঠক বুধবার

বাইডেন প্রশাসনের মনোভাব জানার পাশাপাশি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে বাংলাদেশ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আগামীকাল বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ উপলক্ষে তিনি গতকাল সোমবার রাতে ঢাকা ছেড়েছেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাইডেন প্রশাসনের মনোভাব বোঝা, নিজেদের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা এবং সর্বোপরি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক জোরদার করাই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরের লক্ষ্য।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন গতকাল ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিশেষ কোনো ইস্যু নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে বৃহত্ পরিসরে সব ইস্যুতেই আলোচনা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরো জোরালো সম্পর্ক গড়তে চাই।’

জানা গেছে, ব্লিনকেন ছাড়াও মার্কিন সিনেটের আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান বব মেনেন্দেজসহ কয়েকজন সিনেটরের সঙ্গে মোমেনের বৈঠক হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘কাউন্সিল ফর ফরেন রিলেশন্সে’ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও নিউলাইনস ইনস্টিটিউটে রোহিঙ্গাবিষয়ক দুটি আলাদা বৈঠক এবং যুক্তরাষ্ট্র চেম্বারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি সাক্ষাত্কার দেবেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, রোহিঙ্গা ইস্যু, মিয়ানমার পরিস্থিতি, জলবায়ুসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমেরিকা যাচ্ছি, এখানে আমাদের কয়েকটি মিটিং আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ করে নতুন সরকার আসছে। নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন চাই। আমি ‘ব্রড বেইজড’ আলাপ করব। তাঁরা নতুন একটা ‘ফরেন পলিসি’ দিয়েছে। স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখানে ভূরাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেসব আমরা তাঁদের কাছে তুলে ধরব। সুতরাং তাঁরাও আমাদের সেভাবে দেখে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে এখন অনেক কিছু ‘অফার’ করার সুযোগ আছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে এক নম্বর বিনিয়োগকারী। আমরা এখন ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টর উন্মুক্ত করেছি। আমরা আরো বড় করতে চাই।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশ সম্পর্কে কোনো কোনো সময় নেতিবাচক প্রচারণা বিদেশে হয়। আমরা সেই নেতিবাচক প্রচারণা নিয়ে সেখানে দু-একটি মিডিয়াতে সাক্ষাত্কার দেব। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নেতিবাচক প্রচারণার জবাব দেওয়া।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা