kalerkantho

সোমবার । ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ৮ মার্চ ২০২১। ২৩ রজব ১৪৪২

ফোরকান এখন অনেকটাই সুস্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাটহাজারী থেকে সীতাকুণ্ডে মাকে দেখতে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ ফোরকান। পথে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। তাঁর ডান পা বিচ্ছিন্ন এবং বাঁ পা থেঁতলে যায়। একজন অটোরিকশাচালক তাঁকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে রেখে যান। পরিচয়হীন ফোরকানকে পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসেন হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ভূইয়া। উদ্যোগ নিয়ে তিনি ফোরকানকে জরুরি বিভাগে দেখিয়ে ভর্তি করে দেন ২৬ নম্বর অর্থোসার্জারি ওয়ার্ডে। ফোরকানের শারীরিক অবস্থা তখন ছিল খুবই আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক পাঁচ ব্যাগ রক্ত প্রয়োজন বলে জানান। পরিদর্শক জহিরুল উদ্যোগ নিয়ে চিকিৎসকদের চাহিদামতো রক্ত সংগ্রহ করেন। পরে আরো আট ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ কেনারও ব্যবস্থা করেন জহিরুল। টানা ৬৮ দিন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে অনেকটা সুস্থ ফোরকান। গতকাল সোমবার দুপুরে হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পক্ষ থেকে দুই পা হারানো ফোরকানকে একটি হুইলচেয়ার দেওয়া হয়। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাসায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে ফোরকানের। চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ভূইয়া গতকাল বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঘটনাটি ছিল গত বছর ১৬ ডিসেম্বরের। দুপুরে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে আসা ফোরকানকে আমি হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করি। জরুরি দরকার পড়ে পাঁচ ব্যাগ রক্ত। তারও ব্যবস্থা করি। এরপর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে পরদিন পরিবারের লোকজন হাসপাতালে আসে। এরপর তাঁর পরিচয় জানতে পারি। নাম মোহাম্মদ ফোরকান (৪২)।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা