kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

ঢাকার বাসা থেকে ময়লা নেওয়া বন্ধের হুমকি

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অনুমোদন ও প্রত্যয়ন ফিরে পেতে এই হুমকি দিয়েছে পিডাব্লিউসিএসপি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেসরকারি খাতের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অনুমোদন ও প্রত্যয়ন আগামী সাত দিনের মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া না হলে রাজধানী ঢাকার বাসাবাড়ির ময়লা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংগঠন প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রভাইডারস (পিডাব্লিউসিএসপি) গতকাল মঙ্গলবার এই আলটিমেটাম দিয়েছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গতকাল সকালে আয়োজিত প্রতিবাদসভা থেকে ১৯ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীর রুটি-রুজির স্বার্থে ‘বর্জ্যের টেন্ডার’ বন্ধেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সংগঠনটির কর্মীরা কাফনের কাপড় পরে এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সভায় পিডাব্লিউসিএসপির সভাপতি নাহিদ আক্তার লাকী বলেন, ‘রাজধানীর বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের, কিন্তু প্রতিষ্ঠান দুটি শুধু নির্ধারিত কনটেইনার থেকে ল্যান্ডফিলে ময়লা অপসারণের কাজ করছে। যে জনবল রয়েছে তা দিয়ে বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়কে ঝাড়ু দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পিডাব্লিউসিএসপির প্রায় ১৯ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নাগরিকদের বাসাবাড়ির ময়লা সংগ্রহ করে সিটি করপোরেশনের কনটেইনারে পৌঁছে দেয়। এ জন্য শুধু সেবামূল্য হিসেবে আমরা ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে নিতাম। তা দিয়ে কর্মীদের বেতন-ভাতা ও অফিস ব্যয়সহ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করা হতো।’

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের এই নেত্রী বলেন, নগরবাসী হোল্ডিং করের সঙ্গে ২ শতাংশ হারে বর্জ্যের জন্য বিল দিয়ে থাকে। তার সঙ্গে আবার নতুন করে ১০০ টাকা ধার্য করে টেন্ডারের মাধ্যমে এই কাজ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এতে বেসরকারি পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কাজ হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন। 

লাকী বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এরই মধ্যে ময়লা সংগ্রহের কাজ টেন্ডারে দিয়ে দিয়েছে। ময়লা সংগ্রহের সেবামূলক পুরো কাজ এখন ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। আর সিটি করপোরেশন কৌশলে সেই ব্যবসা কাউন্সিলরদের হাতে তুলে দিয়েছে। এ অবস্থায় আমাদের দাবি, আগামী সাত দিনের মধ্যে টেন্ডার বাতিল করে সিটি করপোরেশন কর্তৃক অনুমোদন ও প্রত্যয়ন ফিরিয়ে দিতে হবে। সুষ্ঠু নীতিমালা করে স্বল্প সেবামূল্য নির্ধারণ করে আমাদের অনুমোদন দিতে হবে।’



সাতদিনের সেরা