kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

পদ্মশ্রী পাচ্ছেন সন্জীদা খাতুন, সাজ্জাদ জহির

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পদ্মশ্রী পাচ্ছেন সন্জীদা খাতুন, সাজ্জাদ জহির

ভারত সরকারের চতুর্থ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’ খেতাব পাচ্ছেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ড. সন্জীদা খাতুন ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির। ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার এই সম্মাননার জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করা হয়। ভারত সরকার শিল্পকলা, শিক্ষা, বাণিজ্য, সাহিত্য, বিজ্ঞান, খেলাধুলা, সমাজসেবা ও সরকারি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন গতকাল সন্জীদা খাতুন ও সাজ্জাদ আলী জহিরের সম্মাননা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, ভারতীয় হাইকমিশন তাঁদের ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছে।

ড. সন্জীদা খাতুন বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। বর্তমানে তিনি ছায়ানটের সভাপতি। তিনি জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদেরও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

সন্জীদা খাতুন একাধারে রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সংগীতজ্ঞ এবং শিক্ষক। তিনি ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতক এবং ১৯৫৫ সালে ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৪ নম্বর সেক্টরের অধীনে দ্বিতীয় গোলন্দাজ বাহিনীকে সংগঠিত করেন। মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীরপ্রতীক খেতাব দেয়। সাজ্জাদ আলী জহির ১৯৬৯ সালের শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সামরিক একাডেমিতে সিনিয়র ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আর্টিলারি কোরে কমিশন লাভ করেন। এর পরপরই তিনি পাকিস্তান থেকে পালিয়ে এসে যুদ্ধে যোগ দেন। কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বাংলাদেশে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।

মন্তব্য