kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

আখাউড়া পৌর নির্বাচন

‘প্লাসে’ উজ্জীবিত আ. লীগ ‘মাইনাসে’ বিপাকে বিএনপি

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মান-অভিমানে দূরে সরে থাকা থাকা নেতাকর্মীরা ফের ভিড়ছেন আওয়ামী লীগে। জয় নিশ্চিত করতে বাগে আনার চেষ্টা চলছে বিদ্রোহী প্রার্থীদেরও। সব মিলিয়ে বেশ উজ্জীবিত অবস্থায় আছে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে একেবারেই বিপরীত চিত্র বিএনপিতে। দলে একক প্রার্থী থাকলেও স্বস্তি নেই। পৌর নির্বাচন সামনে রেখে পৌর বিএনপির কমিটি দেওয়ার ১১ দিনেই পদত্যাগ করেছেন ১১ জন। ‘মাইনাসকাণ্ডে’ নির্বাচনে প্রার্থীকে সহায়তা তো দূরের কথা, দলের ঝড় সামলাতেই চিন্তায় পড়েছেন নেতারা।

এই চিত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. তাকজিল খলিফা কাজল। বিদ্রোহী হিসেবে আছেন সাবেক পৌর মেয়র মো. নূরুল হক ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মোবারক হোসেন রতন, যুবলীগ নেতা মো. শফিকুল ইসলাম। বিএনপি থেকে একক প্রার্থী হলেন সাবেক সহসভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন আব্দু। জাতীয় পার্টি থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে।

পৌর বিএনপির কমিটি ঘোষণার ১১ দিন পর ১৩ থেকে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে পদত্যাগ করেছেন ঘোষিত কমিটির ১১ গুরুত্বপূর্ণ নেতা। পদত্যাগপত্রে পদত্যাগের কারণ হিসেবে কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে অন্য উপজেলার ইউনিয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদককে নির্বাচিত করা, দলে পরিচিতি নেই, এমন অনেককে কমিটিতে রাখা, বিলুপ্ত কমিটির ১০১ জনের মধ্যে মাত্র সাতজনকে নতুন কমিটিতে স্থান দেওয়া ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এ বিষয়ে পৌর বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি মো. বাহার মিয়া বলেন, ‘আমার মতো অনেক ত্যাগী নেতাকেই বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কারো সঙ্গে আলোচনা না করেই অন্য উপজেলার লোককে আহ্বায়ক করা হয়েছে। আমরা তাঁর নেতৃত্বে থাকব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদ্য সাবেক এক শীর্ষ নেতা বলেন, ‘বর্তমানে কমিটি নিয়ে যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে তাতে কেউ প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করার আগ্রহ দেখাবে না।’

মন্তব্য