kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

শেষ দিনে জম্পেশ প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা’ ‘শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন’; ‘খালেদা জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন’—এ রকম নানা স্লোগানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থীর শেষ দিনের প্রচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে চট্টগ্রাম। সেই সঙ্গে অন্য পাঁচ মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ৩৯টি সাধারণ ও ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডেও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজেদের স্বতন্ত্র প্রতীক নিয়ে গতকাল সোমবার সকাল থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত গণসংযোগ ও প্রচারণায় মেতে ছিলেন।

করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি ও শীতের প্রকোপ সব কিছু ছাপিয়ে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের শেষ দিনের প্রচারণা ছিল জমজমাট। গণসংযোগ ও প্রচারণার মাধ্যমে অনেক প্রার্থী শোডাউনও করেছেন। প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে উপসড়ক ও অলিগলি—সর্বত্র ছিল সরগরম। প্রার্থী ও তাঁদের অনুসারী নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ভোটারদের কাছে ভোট চেয়েছেন। শেষ দিনেও ছিল প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি। প্রচারণাকালে নগরের বেশির ভাগ সড়কে গতকাল দিনভর যানজটের কারণে মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে।

এদিকে মেয়র পদে সাত প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের বেশি দেখা গেছে প্রচারণায়। গত কয়েক দিনের মতো গতকালও এ দুই মেয়র প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেও প্রচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর সমর্থনে ঢাকা থেকে আসা একঝাঁক তারকা শিল্পী নৌকায় ভোট চেয়ে প্রচারণা চালান। নগরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রচারণাকালে পছন্দের শিল্পীদের দেখতে এবং তাঁদের সঙ্গে সেলফি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। সব কিছু মিলে আগামীকাল বুধবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ষষ্ঠ নির্বাচনের শেষ দিনের প্রচারণায় প্রকম্পিত হয়ে ওঠে বন্দর নগর।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর পক্ষে গতকাল চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস, সায়মন, চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, অরুণা বিশ্বাস, অভিনেত্রী বিজরী বরকতুল্লাহ, তানভীন সুইটি নৌকায় ভোট চেয়ে প্রচারণা চালান। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে এ নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়।

এদিকে নগরের জামালখান, এনায়েতবাজার ও আলকরণ ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম ও জনপ্রিয় দল হিসেবে জনগণের প্রতি রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতা থেকে চসিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। চট্টগ্রামের জনগণের প্রত্যাশা একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। বিএনপিরও প্রত্যাশা সুষ্ঠু প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের নেতা, মন্ত্রী-এমপিরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলেছেন।

মন্তব্য