kalerkantho

শনিবার । ২৭ চৈত্র ১৪২৭। ১০ এপ্রিল ২০২১। ২৬ শাবান ১৪৪২

পাপুলের স্ত্রী-কন্যার জামিন আবেদন

নথি জালিয়াতির তদন্ত চেয়েছে সব পক্ষই

হাইকোর্টে রায় ১১ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এমপি পাপুলের স্ত্রী ও মেয়ের জামিন আবেদনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি জালিয়াতির ঘটনায় আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি রায় দেবেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দিয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি জালিয়াতি ঘটনার তদন্ত চেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক, রাষ্ট্রপক্ষ ও জামিন আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবীরা। তাঁরা বলেছেন, নথি জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তা তদন্ত হওয়া দরকার।

পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম ও তাঁর মেয়ে ওয়াফা ইসলামের জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকালে দাখিল করা এক নথির পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা সুয়োমোটো রুলের ওপর শুনানিকালে এই আদেশ দেওয়া হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। জামিন আবেদনকারীপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ। বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক আরেফিন আহসান মিঞার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন তানভীর পারভেজ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুল, তাঁর স্ত্রী, কন্যা ও শ্যালিকার বিরুদ্ধে অর্থপাচার অভিযোগের মামলায় দাখিল করা ওই জামিন আবেদনের সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক আরেফিন আহসান স্বাক্ষরিত একটি নথি দাখিল করা হয়। ওই জামিন আবেদনে বলা হয়, এই নথি এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে তাঁরা পেয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা আরেফিন আহসান আদালতকে জানান, তিনি এ জাতীয় কোনো কিছু লেখেননি। এরপর এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে লিখিতভাবে হাইকোর্টকে জানানো হয়, তারা এ ধরনের কোনো নথি দেয়নি। এ অবস্থায় হাইকোর্টের নির্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী গতকাল এসংক্রান্ত নথি উপস্থাপন করে আদালতে বলেন, জামিন আবেদনে দেওয়া নথির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথির মিল নেই।

মন্তব্য