kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৩ রজব ১৪৪২

শাখা খোলার সুযোগ রেখে ট্রাভেল এজেন্সি বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকারের অনুমোদন নিয়ে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর মালিকানা হস্তান্তর এবং দেশ-বিদেশে শাখা খোলার সুযোগ দিয়ে জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) বিল-২০২০’ পাস হয়েছে। পাস হওয়া বিলে আইন লঙ্ঘনের অপরাধে ট্রাভেল এজেন্সিকে জরিমানার সুযোগ রয়েছে।

গতকাল সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। বিলটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন বিরোধীদলীয় সদস্যরা। সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সদস্য হারুনুর রশিদ বলেন, ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর কাছে বিমানের পাওনা অনাদায়ী থাকে। জরিমানার ব্যবস্থা থাকলেও কার্যকর নেই। একই দলের ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, বিভিন্ন সময় বিমানে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে এক হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি দলের লোক ও বিমানের পদস্থ কর্মকর্তারা এতে জড়িত।

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘এজেন্সিগুলো টিকিট বিক্রি করে বিমানকে টাকা দেয় না। বিমানের টিকিট পাওয়া যায় না। অথচ সিট ফাঁকা থাকে।’

এসব বক্তব্যের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেন, ‘বিমানে দুর্নীতির জন্মদাতা বিএনপি। তারা বিমানকে লুটপাটের আখড়া বানিয়েছিল। হাওয়া ভবন তৈরি করে সর্বত্র দুর্নীতির লুটপাট চালানো হয়েছে। এখন বিমানে দুর্নীতি হয় না বলব না, সামান্য হয়। আমরা এর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

পাস হওয়া বিলে আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে ছয় মাস জেল ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এসংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে ফৌজদারি কার্যবিধি প্রযোজ্য হবে। অনুমোদন ছাড়া কোনো ট্রাভেল এজেন্সি ঠিকানা পাল্টাতে পারবে না—এমন বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা