kalerkantho

সোমবার । ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ৮ মার্চ ২০২১। ২৩ রজব ১৪৪২

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশনা

প্রস্তুতি শেষ করতে হবে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে
মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দীর্ঘ ১১ মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দু-এক দিনের মধ্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাইডলাইন পাঠাবে। তাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধি-নিষেধ পালনের নির্দেশনা থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। এ কারণে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। তবে কবে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু হবে, সেই দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়নি। স্বল্প সময়ের নোটিশে যাতে আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোয় কার্যক্রম শুরু করতে পারি, সে জন্য স্কুল-কলেজগুলোকে প্রস্তুত করা হবে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসংক্রান্ত গাইডলাইন পাঠানো হবে।’

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, স্যানিটাইজার-মাস্ক কেনা এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ছাড়া করোনার কারণে স্কুল খুলতে যে বাড়তি ব্যয় হবে, সেই ব্যয়ের অর্থ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিবিধ তহবিল থেকে সরবরাহ করার কথা বলা হয়েছে। এই ব্যয়ের জন্য আলাদা কোনো খাতে ফি নেওয়া যাবে না বলে বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকের আরেক সূত্র জানায়, ১১ মাসের ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর জন্য অন্তত ১৫ দিন সময় দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। এ জন্যই ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষক ও কর্মচারীরা দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার যাবতীয় প্রস্তুতি নেবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা