kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

প্রাণীর অভয়ারণ্য ধ্বংস করে তৈরি স্থাপনা উচ্ছেদ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২৪ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের চকরিয়ার সংরক্ষিত বনের উচিতারবিল মৌজায় অবশেষে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে বন বিভাগ। বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য ধ্বংস করে সংরক্ষিত বনভূমি দখলে নিয়ে সেখানে গড়ে তোলা অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত এই অভিযান চালায় বন বিভাগ। এ সময় দুই একরের বেশি সংরক্ষিত বনভূমি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. তৌহিদুল ইসলামের সার্বিক নির্দেশনায় উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম ও ফাঁসিয়াখালী বনবিট কর্মকর্তা আবুল হোসেন। এ ছাড়া ভিলেজার ও সিপিজি সদস্যরা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।

ডিএফও মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের উচিতারবিল মৌজায় বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য ধ্বংস ও বনাঞ্চল উজাড় করে প্রায় ছয় বছর আগে শত শত অবৈধ বসতি গড়ে তোলা হয়েছিল। প্রথম দফায় অভিযান চালিয়ে অর্ধশতাধিক বসতি উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি স্থাপনাগুলোও উচ্ছেদ করে সেখানে সামাজিক বনায়ন করা হবে।

এ ছাড়া পাহাড় সাবাড় করে সংরক্ষিত বনের ভেতর গড়ে তোলা অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিতে রয়েছে। ওই ইটভাটার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়ার পর অবৈধ বসতির মতো ইটভাটার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ‘ভালো নেই বুনো হাতি’ শিরোনামে কালের কণ্ঠে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই প্রতিবেদনে চকরিয়ার আলোচিত উচিতারবিলের বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য ধ্বংসের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এরপরই টনক নড়ে বন বিভাগের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা