kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

অপেক্ষার ৪৯ বছর

বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি না পেয়েই চলে গেলেন গীতা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৪ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি না পেয়েই চলে গেলেন গীতা

নাম তাঁর গীতা রায়। বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা। বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পেরুয়া গ্রামে। তিনি যে বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা, এর সরকারি স্বীকৃতির জন্য আবেদন করেছিলেন গত বছর। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯ মাস আগে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য চিঠি দিয়েছিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল। মন্ত্রণালয় দ্রুত যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশনা দিলেও স্থানীয় প্রশাসন করোনার অজুহাতে এখনো প্রতিবেদন তৈরি করেনি। ফলে সরকারি স্বীকৃতিও মেলেনি। গত ১৯ অক্টোবর বিনা চিকিৎসায় নিজ বাড়িতে মারা গেছেন বাংলাদেশের জন্মে অসামান্য অবদান রাখা এই নারী। 

গীতা রায়ের পরিবার জানায়, এলাকার দালাল আব্দুল খালেকের লোকজনের হাতে একাত্তরের ৪ ডিসেম্বর নির্মম নির্যাতনের শিকার হন তিনি। ওরা এতই দাপটের ছিল যে ওদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহসও ছিল না। তাই অন্য অনেকের মতো পরিবারের মঙ্গলের কথা চিন্তা করে একাত্তরের চিরন্তন দহন নিজেই বহন করছিলেন। গত বছর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খালেকের ছেলে রাজাকার জোনায়েদ মনিরসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বুকে সাহস সঞ্চয় করে গীতা রায় বীরাঙ্গনার স্বীকৃতির আবেদন করেন।

তাঁর স্বামী উপেন্দ্র রায় ছিলেন শ্যামারচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। এ কারণে তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল রাজাকাররা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা