kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

পদ্মা সেতু

৩৮তম স্প্যানে সংযোগ ঘটল ভূমি ও নদীর

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘জলে কুমির, ডাঙ্গায় বাঘ’—এ রকম বিপদ নিয়ে বসল পদ্মা সেতুর ৩৮তম স্প্যান ‘ওয়ান এ’। মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১ ও ২ নম্বর খুঁটির ওপর গতকাল শনিবার দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে বসানো হয় স্প্যানটি। এতে দৃশ্যমান হলো সেতুর পাঁচ হাজার ৭০০ মিটার। স্প্যানটি সফলভাবে বসানোর মধ্য দিয়ে নদী ও ভূমির সংযোগ স্থাপিত হলো।

৩৭তম স্প্যান বসানোর ৯ দিনের মাথায় ৩৮তম স্প্যানটি বসানো হলো। মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে এখন বাকি থাকল মাত্র তিনটি স্প্যান বসানোর কাজ।

৩৮তম স্প্যানটি বসানোর কাজ অনেকটা জটিল ছিল। মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১ নম্বর খুঁটিটি ভূমির ওপর ও ২ নম্বর খুঁটিটি পদ্মা নদীর ওপর রয়েছে। দুই খুঁটির মাঝে অর্ধেকটাজুড়ে পানি আর বাকি অর্ধেক ভূমি বা মাটি। এ পরিস্থিতিতে স্প্যান বসানোর ভাসমান ক্রেন দুটি খুঁটির মাঝামাঝি নোঙর করা সম্ভব ছিল না। অবশেষে ১ নম্বর খুঁটির কাছের অনেকটা এলাকা খনন (ড্রেজিং) করে মাটি সরিয়ে ভাসমান ক্রেনের নোঙরের ব্যবস্থা করা হয়। এ জন্য স্প্যানটি বসাতে কয়েক দিন দেরি হয়।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, স্প্যানটি ১৬ নভেম্বর বসানোর সময়সূচি থাকলেও নির্ধারিত পিয়ার (খুঁটি) দুটির এলাকায় খনন ও কারিগরি অন্যান্য বিষয় প্রস্তুত করতে আরো কয়েক দিন সময় লেগে যায়। গতকাল সকাল ৯টা ২০ মিনিটে কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেন তিয়াই-ই ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩৮তম স্প্যান নিয়ে রওনা করে ৯টা ৫০ মিনিটে নির্ধারিত পিয়ারের কাছে পৌঁছে। এরপর ক্রেনটি নোঙর ও অন্যান্য কারিগরি কাজ শেষ করতে আরো কয়েক ঘণ্টা লাগে। পরে স্প্যানটি পিয়ার দুটির ভূমিকম্প সহনশীল বিয়ারিংয়ের ওপর বসানো সম্ভব হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা