kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

শিশুসহ চারজনকে ধর্ষণ ও নিপীড়ন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চুয়াডাঙ্গা ও ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই শিশুকে ধর্ষণ এবং নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় শিশু ও শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গৃহবধূকে (৩৩) যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। ভাঙ্গা উপজেলার শিশুটিকে তার চাচির সহযোগিতায় ধর্ষণ এবং সোনারগাঁয় শিশুটিকে চলন্ত বাসে নিপীড়ন করা হয়। এসব ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নে গত ৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীটি (১২) গতকাল বৃহস্পতিবার চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছে। আসামিরা হলেন সোনাখোলা গ্রামের আলমগীর মুন্সীর ছেলে ধর্ষণে অভিযুক্ত সাব্বির মুন্সী (১৯), তাঁকে সহযোগিতায় অভিযুক্ত রূপালী বেগম (২৮) এবং সাব্বিরের দুই সহযোগী সোনাখোলার স্বপন মাতবরের ছেলে আব্দুল্লাহ মাতবর (১৮) ও এক তরুণ (১৭)। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মেয়েটি ৮ সেপ্টেম্বর রাতে চাচির কাছে ঘুমাতে যায়। গভীর রাতে চাচি মোবাইল ফোনে পাশের সোনাখোলা গ্রামের সাব্বির ও তাঁর দুই সহযোগীকে ডেকে আনেন। রাত ২টার দিকে এই তিনজনের সহযোগিতায় সাব্বির মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে জানালে মেয়েটিকে হত্যার ভয়ও দেখান। কিন্তু পরে মেয়েটি মা-বাবার কাছে ঘটনা খুলে বলে। ঘটনার বিচার চাইলে সমাজের মাতবররা সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। ভাঙ্গা থানার ওসি শফিকুর রহমান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নেমেছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নওদাগা হরিশপুরে নাতনিকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগে দাদাকে (৫৫) গত বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দর্শনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ মাহবুবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন দাদা। বুধবার রাতে শিশুটির মা দর্শনা থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। গতকাল চুয়াডাঙ্গার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড ও সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর ঘটনায় অভিযুক্ত মিলন মিয়া (৩২) চাঁদপুরের কচুয়া থানার আশারাফপুর গ্রামের মোমেন মিয়ার ছেলে ও বাসের হেলপার। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের এক নারী মেয়েসহ (১১) পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গতকাল সকালে পদ্মা পরিবহনের (মেট্টো-ব ১৪-১৩৮৬) বাসে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। সোনারগাঁর মদনপুর পার হতেই যাত্রীবাহী বাসটির চালকের সহকারী মিলন মিয়া কৌশলে মেয়েটিকে পেছনের আসনে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। তখন মেয়েটির চিৎকারে মা ও যাত্রীরা গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁরা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে বাসটি কাঁচপুরে পৌঁছামাত্রই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিলনকে আটক ও বাসটি জব্দ করে। এ ঘটনায় মেয়েটির মা সোনারগাঁ থানায় মামলা করেছেন। আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বানিয়াপাড়া গ্রামে বুধবার রাতে গৃহবধূকে (৩৩) যৌন নিপীড়নের অভিযোগে হাছান আমিন (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হাছান বানিয়াপাড়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা