kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



গত ২৬ অক্টোবর দৈনিক কালের কণ্ঠ’র প্রথম পৃষ্ঠায় ‘গায়েবি মামলার সিন্ডিকেট’ শিরোনামের সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজধানীর ১০৭, শান্তিবাগের বাসিন্দা মোছা. কমরের নেহার। প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেছেন, ‘আমার দ্বিতীয় পুত্রের বরাত দিয়ে একটি উদ্দেশ্যমূলক, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারিত হয়েছে। আমার সঙ্গে যোগাযোগ না করে একতরফা প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাকে সমাজের চোখে যথেষ্ট হেয়প্রতিপন্ন করেছে।’ তিনি মূলত ঢাকার রাজারবাগ দরবার শরিফের সম্মানিত পীর সাহেব কিবলা এবং হযরত আম্মা হুজুর কিবলার (আলাইহিমাস সালাম) একজন মুরিদ। ঢাকার রাজারবাগ দরবার শরিফের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মুহম্মদীয় জামিয়া শরিফ মাদরাসা প্রতিষ্ঠার সময় তিনি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি মাদরাসার নামে দান করতে চাইলে দ্বিতীয় সন্তান একরামুল আহসান (কাঞ্চন) ও তার স্ত্রী তামান্না বেগম বাধা দেয়। কমরের নেহারের দাবি, কাঞ্চন মাদরাসায় জমি দান থেকে মাকে বিরত করতে না পেরে ২০০৯ সালে অন্য এক নারীকে মা সাজিয়ে গোপনে জাল দলিল তৈরি করে। জাল দলিল যেন চ্যালেঞ্জ না করতে পারেন এ কারণে কাঞ্চন ও তার স্ত্রী তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করে। তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন এবং আদালতে জাল দলিলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। অনেক বাধা সত্ত্বেও ২০১৪ সালে তিনি মাদরাসায় জমি দান করেন। মোছা. কমরের নেহার প্রতিবাদে বলেন, ‘মাদরাসার দান করা জমি নিজেদের নামে করে নিতে বহু ষড়যন্ত্র করেও সফল না হয়ে অবশেষে কিছু অসৎ সাংবাদিকের শরণাপন্ন হয়ে কাঞ্চন ও তার স্ত্রী নতুন ফন্দি আঁটে। এখন মিডিয়ায় আমাকে পাগল সাজিয়ে রংচং মেখে মিথ্যা সংবাদ ছড়াচ্ছে। যেমন আমি পীর সাহেবকে জমি লিখে দিয়েছি, এমনকি শান্তিবাগে আমাদের থাকার বাড়িটি পর্যন্ত উনার নামে লিখে দিচ্ছি। কিন্তু বাস্তবে এই কথাগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।’

প্রতিবেদকের বক্তব্য : শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলে সেসব মামলার আসামিরা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে মামলাবাজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। পুলিশ সদর দপ্তরও এ ব্যাপারে তদন্ত করছে। সেই তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এবং কয়েকজন অভিযোগকারীর বক্তব্যসহ প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। সংবাদের কোথাও মোছা. কমরের নেহারের নাম উল্লেখ বা তাঁর ব্যাপারে মন্তব্য করা হয়নি। অভিযোগকারী ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন কাঞ্চনের নথিপত্র অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ৪৮টি মামলা হয়েছে, যার ৩৮টি আদালতে প্রমাণ হয়নি। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবেদক ‘কারা, কেন সাজানো মামলা করছে?’ জানতে চায়। তখন কাঞ্চন তাঁর বক্তব্যে বলেন, তাঁর মা, ভাই বাড়ি, জমি লিখে দিলেও তিনি না দেওয়ায় পীরের মুরিদ, ভক্ত সিন্ডিকেট এসব মামলা করেছে। কাঞ্চন তাঁর মা, ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলার ব্যাপারে সরাসরি অভিযোগ না করায় সংবাদে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা