kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

গ্যাসের আগুনে দুই শিশুসহ ৯ জন দগ্ধ

পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর

নিজস্ব প্রতিবেদক, হাওরাঞ্চল ও কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত মিঠামইন উপজেলার কাটখাল ইউনিয়নের হাজিপাড়া গ্রামে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের আগুনে শিশু, অন্তঃসত্ত্বাসহ এক পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে রান্না করার সময় গ্যাসের পাইপের লিক থেকে গ্যাস ঘরে ছড়িয়ে পড়লে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

দগ্ধদের মধ্যে আটজন হলেন কাটখাল গ্রামের আবদুস সালামের স্ত্রী সিপাইনেছা (৫৮), দুই ছেলে কামাল (৩৫) ও আনোয়ার (১৭), মেয়ে তাসলিমা (২৫), দুই নাতনি উম্মে হাবিবা (৪ দিন) ও উম্মে হানি (৩) এবং তাঁদের স্বজন পারভিন (১৫) ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা জুয়েনা (২০)। বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, চার দিনের শিশুটি ছাড়া বাকিদের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর।

সন্ধ্যায় জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, দগ্ধ দুটি শিশু ছাড়া বাকিরা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুটি শিশুসহ আটজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী কাটখাল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি শামসুল হক রানা জানান, আবদুস সালামের ঘরে রান্না করার সিলিন্ডারের পাইপে ছিদ্র ছিল। সেই ছিদ্র দিয়ে আগেই গ্যাস পুরো ঘরে ছড়িয়ে ছিল। সালামের স্ত্রী রান্না করতে গিয়ে চুলা জ্বালাতে পারছিলেন না। এ সময় বাইরে থেকে আগুন নিয়ে চুলা জ্বালাতে গেলে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ আগুনেই তারা দগ্ধ হয়। পরে এলাকাবাসী আগুন নেভানোসহ দগ্ধদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

পুলিশের কাটখাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. মাসুদ মিয়া জানান, গ্যাস ব্যবহারে অজ্ঞতার কারণেই এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সিলিন্ডার থেকে যে প্লাস্টিকের পাইপটি চুলায় গেছে, সেটিতে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না তা অনেকে খেয়াল করে না। এ অসাবধানতার কারণেই এতগুলো মানুষ দগ্ধ হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা