kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩ ডিসেম্বর ২০২০। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

ভিয়েতনাম-কাতার ফেরতদের বিষয়ে তদন্ত স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সম্প্রতি ভিয়েতনাম ও কাতারফেরত ৮৩ ব্যক্তির বিরুদ্ধে চলমান ৫৪ ধারার কার্যক্রমের তদন্তের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। ভিয়েতনামফেরত মো. রহমান নামের এক প্রবাসীর করা এক আবেদনে এ আদেশ দেন আদালত। আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও ফুয়াদ হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।  

বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ভিয়েতনাম, কাতার, বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে কারাবন্দি ২১৯ জন প্রবাসীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয় করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে। ওইসব প্রবাসী দেশে ফেরার পর তাঁদের উত্তরার দিয়াবাড়ী ক্যাম্পে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। পরবর্তী সময় ভিয়েতনামফেরত ১০৬ জনের মধ্যে ৮১ জন, কাতারফেরত দুজনকে ১৮ আগস্ট ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগে বলা হয়, এঁরা বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন এবং দেশে ফিরে কোয়ারেন্টিনে থাকাবস্থায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র করেছেন। তবে কয়েক মাস বন্দি থাকার পর সম্প্রতি তাঁরা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার পর ৫৪ ধারার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে আবেদন করেন মো. রহমান।

এর আগে বাহরাইন থেকে ফেরা চাঁদপুরের শাহিন আলমও ৫৪ ধারার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। তাঁর আবেদনে হাইকোর্ট গত ৮ অক্টোবর আদেশ দেন হাইকোর্ট। তাঁর বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রমের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকার মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছেও ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৫ নভেম্বর মো. রহমান ও শাহিন আলমের মামলা দুটি একসঙ্গে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

মন্তব্য