kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

বিশিষ্ট নাগরিকদের বিবৃতি

ধর্ষণ প্রতিরোধে ৭ দফা প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেবল ফাঁসির আইন করলেই ধর্ষণ প্রতিরোধ সম্ভব হবে না বলে মনে করেন দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এ জন্য তাঁরা সাত দফা প্রস্তাব দিয়েছেন। অবশ্য ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁরা।

গতকাল রবিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেন, আইনের সঠিক ও সময়োপযোগী প্রয়োগের ওপর নির্ভর করছে ধর্ষণ প্রতিরোধের কার্যকারিতা। দেশে অনেক আইন রয়েছে, কিন্তু সঠিক প্রয়োগ নেই। এতে করে আইন তার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রয়োগকারীর ওপর জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

দ্রুততম সময়ে তদন্ত ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করার তাগিদ দিয়ে তাঁরা বলেন, বিদ্যমান আইনের অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে আইনটিকে নির্যাতিত ও ধর্ষণের শিকার নারীর অনুকূলে সংশোধনী আনতে হবে।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, শুধু আইন সংস্কার ও শাস্তি দিয়ে এই জঘন্য অপরাধ থামানো যাবে না। এ জন্য প্রয়োজন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিশুদ্ধতা।

বিবৃতিতে সই করেছেন কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, ফোকলোরবিদ শামসুজ্জামান খান, কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হক, সমাজবিজ্ঞানী অনুপম সেন, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, ডা. সারোয়ার আলী, নাট্যজন ফেরদৌসী মজুমদার, অধ্যাপক আবদুস সেলিম, নাট্যজন মামুনুর রশীদ, কবি নির্মলেন্দু গুণ, প্রাবন্ধিক মফিদুল হক, কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী, কবি মোহাম্মদ নূরুল হুদা, অধ্যাপক শফি আহমেদ, নাট্যজন নাসির উদ্দীন ইউসুফ, লাকী ইনাম, সারা যাকের, শিমূল ইউসুফ, গোলাম কুদ্দুছ, মান্নান হীরা ও হাসান আরিফ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা