kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

রংপুরে জেলা পরিষদ

বৃক্ষ নিধনে ক্ষতির শঙ্কা অভয়ারণ্যের

রংপুর অফিস   

১৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুর জেলা পরিষদ কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে পাখির অভয়ারণ্য আছে। ওই কমপ্লেক্সের চারপাশ ঘিরেও অনেক গাছ আছে; সেগুলোকে মরা, শুকনা, পোকা খাওয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে কেটে ফেলা হচ্ছে। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, অভয়ারণ্যের পাশের গাছ কেটে ফেলায় সেখানকার আশ্রিত পাখিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

প্রবেশ পথের দুই ধারে লাগানো দেবদারু গাছের ছায়া পেরিয়ে যেতে হয় রংপুর জেলা পরিষদ কার্যালয়ে। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো বিশালাকার দেবদারু গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। কেটে ফেলা হচ্ছে জেলা পরিষদ ভবনের সামনে ও পেছনে লাগানো আম, কাঁঠাল, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। ঠিকাদার কার্যাদেশ পাওয়ার পর ৩৮টি গাছের মধ্যে জেলা পরিষদ ক্যাম্পাস থেকে এরই মধ্যে ২০টির বেশি গাছ কেটে ফেলেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দরপত্রের পর তিন লাখ ৭১ হাজার টাকায় জেলা পরিষদ নগরীর কাঠ ব্যবসায়ী জিপু বসুনিয়াকে গাছ কাটার কার্যাদেশ দেয়। গাছ কাটার কারণ হিসেবে চিঠিপত্রে জীবন্ত গাছগুলোকে মরা, শুকনা ও পোকা খাওয়া দেখিয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করা হয়। বঙ্গবন্ধু ম্যুরালসংলগ্ন দু-একটি গাছ থাকলেও জেলা পরিষদ ভবনের সামনে-পেছনে কাটা হচ্ছে ৩৮টি গাছ। বসুনিয়া ফার্নিচারের মালিক বলেন, ‘গাছ কাটা শুরু হয়ে গেছে। কিছু বাকি আছে। আমারা তো কিনে ফেলছি কিছু করার নেই।’

রংপুর জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, পুরনো এই গাছগুলোর ভেতর নষ্ট হয়ে গেছে। যেকোনো সময়ে মানুষের গায়ে পড়তে পারে। সে জন্য দুর্ঘটনা রোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্তব্য