kalerkantho

বুধবার । ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৫ নভেম্বর ২০২০। ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

তবু এসেছেন লালনভক্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

১৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাউলসম্রাট ফকির লালন সাঁইর ১৩০তম তিরোধান দিবস পার হয়ে গেল গতকাল শনিবার। ১৮৯০ সালে এই বাউলসাধকের তিরোধানের পর থেকে ১৩০ বছর ধরেই দিনটি ঘিরে কয়েক দিনব্যাপী জমজমাট থেকেছে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালনের আখড়া। ব্যতিক্রম ঘটে গেল এ বছর। করোনা মহামারি থামিয়ে দিয়েছে আখড়ার এবারের সব আয়োজন। তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থামাতে পারেনি ভক্তদের। তাঁরা যথারীতি চলে এসেছেন লালনের ধামে।

গতকাল ১ কার্তিক শুরু হওয়ার কথা ছিল লালন সাঁইর মৃত্যুবার্ষিকীর সপ্তাহব্যাপী উৎসব। কিন্তু করোনা সংক্রমণের কারণে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সুপারিশ ও লালন একাডেমির অ্যাডহক কমিটির সিদ্ধান্তে তিরোধান দিবসের সব অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।

জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি আসলাম হোসেন জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আসা বাউল ও ভক্তরা একসঙ্গে হলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই তিরোধান দিবসের সব অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

লালন একাডেমি ও প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন লালনভক্তরা। তার পরও তাঁরা থেমে থাকেননি। চিরাচরিত নিয়ম ধরে তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালনের ধামে এসেছেন অনেক বাউল-ফকির, ভক্ত ও দর্শনার্থী। কিন্তু আখড়াবাড়ির সদর দরজা বন্ধ। তাতে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাসংবলিত ব্যানার। এ অবস্থায় আখড়াবাড়িতে ঢুকতে না পেরে ভক্ত-দর্শনার্থীরা জড়ো হয়েছেন লালন একাডেমির সামনের রাস্তা ও আশপাশের এলাকায়।

মন্তব্য