kalerkantho

রবিবার । ১০ মাঘ ১৪২৭। ২৪ জানুয়ারি ২০২১। ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ইবি ছাত্রী তিন্নির মৃত্যু

ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত মেলেনি স্বজনের আপত্তি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা   

৭ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়নাতদন্তে ধর্ষণের আলামত মেলেনি স্বজনের আপত্তি

রহস্যজনক মৃত্যুর পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নির মরদেহের ময়নাতদন্তে ধর্ষণ বা শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্যের উল্লেখ করে আরো বলা হয়েছে, তিন্নি ‘ঝুলন্ত অবস্থায় আত্মহত্যা’ করেছেন।

কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আরএমও ডা. তাপস কুমার সরকার গতকাল মঙ্গলবার এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনটি কুষ্টিয়া সদর মডেল থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন বিশ্বাস করতে পারছেন না তিন্নির স্বজনরা। তাঁরা বলছেন, সাবেক বোনজামাই জামিরুল ও তাঁর সহযোগীরা জোর করে বাড়িতে প্রবেশ করে তিন্নির শোবার ঘরে ঢুকে তাঁকে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি করে। এর পরই তিন্নি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

তিন্নির বড় বোন মুন্নি বলেন, ‘আমি এই প্রতিবেদন বিশ্বাস করতে পারছি না। ভাবছি, টাকা-পয়সা দিয়ে প্রতিবেদনের তথ্য পাল্টে দেওয়া হলো কি না। কারণ তিন্নির রুমে আমি তাকে (জামিরুল) চাক্ষুষ দেখেছি। তাই আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। কিছু একটা না ঘটলে তিন্নি কেন আত্মহত্যা করবে?’

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া এলাকায় গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিজেদের দোতলা বাড়ির নিজ কক্ষ থেকে তিন্নিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গত শুক্রবার তিন্নির মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার পর চারজনকে আটক করে পুলিশ।

তিন্নি মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইউসুফ আলীর মেয়ে। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। তাঁর মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা