kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

নারায়ণগঞ্জে এবার ‘গুম’ হওয়া ব্যক্তি ৬ বছর পর হাজির

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জে আরেকটি মামলার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর ‘অপহরণ, খুন ও গুমের অভিযোগ’ এনে করা হয়েছিল এই মামলা। ‘চাক্ষুষ সাক্ষী’ জবানবন্দি দিয়েছিলেন আদালতে। ছয় আসামির কেউ দেড় বছর, কেউ দেড় মাস হাজতবাস করেছেন। ঘটনার ছয় বছরের মাথায় আদালতে হাজির হয়েছেন গুম হওয়া যুবক। গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফতাবুজ্জামানের আদালতে মামুনকে হাজির করা হয়। পরে আদালত একজন আইনজীবীর জিম্মায় মামুনকে ছেড়ে দিয়েছেন।

এ নিয়ে গতকাল আদালতপাড়া ছিল সরগরম। অনেকে জিসা মনি কাণ্ডের সঙ্গে ঘটনাটি তুলনা করে আলোচনা আর সমালোচনা করেছেন।

যেভাবে মামলাটি হয়

২০১৪ সালের ১০ মে চাঁদপুরের মতলবের নিজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন মামুন। তখন কোনো ডায়েরি কিংবা অভিযোগ করা হয়নি। এরপর ছেলেকে না পেয়ে ঘটনার দুই বছর পর ২০১৬ সালের ৯ মে তসলিমা নামের একজনের সঙ্গে প্রেম করায় মামুনকে ‘অপহরণ করে খুন করার উদ্দেশ্যে গুম’ করার অভিযোগ এনে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন বাবা আবুল কালাম। আসামি করা হয় মামুনের কথিত প্রেমিকা ফতুল্লায় বসবাসরত তসলিমা, তাঁর বাবা রকমত আলী, ভাই রফিক, সোহেল, খালাতো ভাই সাগর ও সাত্তার মোল্লাকে।

মামলার পর সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে চাক্ষুষ সাক্ষী হিসেবে মাকসুদা বেগম নামের এক নারীর দেওয়া ‘অপহরণ করে খুন করার উদ্দেশ্যে গুমের বর্ণনা’ (জবানবন্দি) ১৬১ ধারায় রেকর্ড করা হয়। এই মামলায় তসলিমা ও তাঁর ভাই রফিক দেড় বছর কারাবাস করেছেন। আর আসামি রকমত আলী, সাগর ও সাত্তার কারাগারে ছিলেন দেড় থেকে তিন মাস। সম্প্রতি জানা গেছে, ছয় বছর আগে গুম হওয়া সেই মামুন জীবিত আছেন। পরে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা সেই মামুনকে গতকাল আদালতে হাজির করেন।

এ ব্যাপারে আসামিপক্ষে আইনজীবী এমদাদ হোসেন সোহেল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিরীহ, নিরপরাধ মানুষগুলো আজ জেল খেটেছে। আমরা তার বিচার চাই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা