kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ কার্তিক ১৪২৭। ৩০ অক্টোবর ২০২০। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

২০ জেলায় যমুনার সার সরবরাহ বন্ধ

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে যমুনা সার কারখানার আমদানি করা নিম্নমানের ছেঁড়া ও পচা বস্তার ইউরিয়া সার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ডিলাররা। গত বুধবার থেকে এ সার নেওয়া বন্ধ রয়েছে। এতে পাঁচ দিন ধরে বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চলের ২০ জেলায় সার সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

যমুনা সার কারখানার বিক্রয় শাখা সূত্র জানায়, কারখানায় বর্তমানে নিজেদের উৎপাদিত ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে ৫২ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন। অন্যদিকে বাইরে থেকে আমদানি করা সারের মজুদ রয়েছে ৩৩ হাজার ৪৪৯ মেট্রিক টন। বিসিআইসির তালিকাভুক্ত ডিলারদের কারখানার কমান্ড এরিয়ায় সরবরাহের জন্য প্রতি ট্রাকে ১২ মেট্রিক টন সার বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে যমুনার উৎপাদিত ১০ মেট্রিক টন ও আমদানীকৃত দুই মেট্রিক টন সার গ্রহণ বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডিলার মোজাম্মেল হক মুকুল, লুৎফর রহমান, আকবর আলীসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করেন,  দীর্ঘদিন রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা আমদানীকৃত সারের গুণগত মান নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেগুলো রিফাইং ও রি-প্যাকিং করে ডিলারদের নিতে বাধ্য করে। সারগুলো জমিতে প্রয়োগের সময় পাউডার হয়ে ওড়ে যায় এবং ফসলের কোনো কাজেই আসে না। এসব সার কৃষকরা গ্রহণ না করায় ডিলারদের প্রতি মাসে বিপুল অঙ্কের টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই এসব সার নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে।

তাঁরা আরো বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে জমাট বাঁধা সার ট্রাক্টর দিয়ে পিষে ও হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে সেগুলো রি-প্যাক করে ডিলারদের বরাদ্দকৃত সারের সঙ্গে মিশিয়ে দেয়। এ কারণে গত আগস্ট মাসেও ডিলাররা তিন দিন সার উত্তোলন বন্ধ রাখেন। ২৩ আগস্ট এক সমঝোতা বৈঠকে কর্তৃপক্ষ ভালো সার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে আবার উত্তোলন শুরু হয়।

মন্তব্য