kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ কার্তিক ১৪২৭। ৩০ অক্টোবর ২০২০। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

রীভা গাঙ্গুলিকে প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আরো ভালো সহযোগিতা প্রয়োজন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আরো ভালো সহযোগিতা প্রয়োজন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গতকাল গণভবনে বিদায়ি সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত রীভা গাঙ্গুলি দাশ। ছবি : পিআইডি ছবি : পিআইডি

এই অঞ্চলের জনগণের উন্নয়নের জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আরো ভালো সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ গতকাল রবিবার ঢাকায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন।

ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ওই শুভেচ্ছা বার্তা হস্তান্তরের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি ফুলের তোড়া উপহার দেন। বিদায়ী ভারতীয় হাইকমিশনার ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভারত সফরের কিছু দুর্লভ ফুটেজ প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে রীভা গাঙ্গুলি দাশ আগামী বৃহস্পতিবার ভারতে ফিরে যাচ্ছেন। ভারতের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে আগামী ৫ অক্টোবর বাংলাদেশে আসছেন বিক্রম দোরাইস্বামী।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, বিদায়ী সাক্ষাতে হাইকমিশনার ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতিতে বাংলাদেশের গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের যে অগ্রগতি হয়েছে তা তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী এবং পরের বছরে বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পঞ্চাশতম বার্ষিকী উদযাপন বিষয়েও এ সময় আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিদায়ী হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) হিসেবে পরবর্তী কর্মজীবনের জন্য রীভা গাঙ্গুলি দাশকে শুভ কামনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বৈদেশিক নীতি—সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমরা সব সময়ই মনে করি যে এই অঞ্চলের জনগণের উন্নয়নের জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সবার আগে আরো ভালো সহযোগিতার প্রয়োজন।’

শেখ হাসিনা আরো বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলো তাদের সুবিধার্থে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও ভারতের হাইকমিশনার দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করেন। কভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সমস্যাও আলোচনায় উঠে আসে বলে তিনি জানান।

বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ভারতের জনগণ এবং এর সব রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে অভূতপূর্ব সমর্থন জানিয়েছিল এবং একইভাবে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক স্থলসীমা চুক্তিকেও সমর্থন জানায়।

মন্তব্য