kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজারে বিশ্বসম্প্রদায় প্রতিনিধিদল

বাংলাদেশকে সমর্থন ও রোহিঙ্গাদের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার সফরকালে বাংলাদেশকে সমর্থন ও রোহিঙ্গাদের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেঞ্চা টিয়েরিংক, কানাডীয় হাইকমিশনের মানবিক সহায়তাবিষয়ক প্রধান ফ্রেডা মুন মরিস, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো গত বুধবার ও গতকাল বৃহস্পতিবার এ সফরে অংশ নেন।

ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয় গতকাল বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ও রোহিঙ্গাদের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার কথা জানিয়েছে। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেছেন, এই সংকটের সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে। নৃশংস নিপীড়নের বিচার হলে রোহিঙ্গারা নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে আস্থা ফিরে পাবে।

মিয়া সেপ্পো বলেন, কভিড-১৯ মোকাবেলায় কয়েক মাসের বিধিনিষেধের পর রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতি একাত্মতা পুনর্ব্যক্ত করতে তাঁরা কক্সবাজার সফর করেছেন। আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, প্রয়োজনীয় তহবিল জোগান দেওয়ার পাশাপাশি এই সংকট সমাধানে এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে যুক্তরাষ্ট্র কাজ চালিয়ে যাবে। ফ্রেডা মুন মরিস বলেন, রোহিঙ্গারা কভিড-১৯ থেকে নিজেদের সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে নিজেরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন রোহিঙ্গা শিবির ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তায় নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি প্রয়োজনে আরো কিছু উদ্যোগ নিয়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রোহিঙ্গা শিবিরে প্রবেশাধিকার ও ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রেঞ্চা টিয়েরিংক বলেন, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সফর ও পরিদর্শন ভালো উদ্যোগ। তবে সেখানে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত প্রযুক্তিগত ও সুরক্ষাবিষয়ক মূল্যায়নের বাস্তবায়ন জরুরি। ভাসানচরে অবস্থানরত ৩০৬ জন রোহিঙ্গার বিষয়ে আলাদা মূল্যায়নের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য