kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

যোগাভ্যাস

সিঙ্গল লেগ

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিঙ্গল লেগ

বয়স বাড়লে পায়ের ব্যথায় কাতর হতে হয় কমবেশি অনেককেই। বিশেষ করে যারা অল্প বয়সে কোনো আসন বা ব্যায়াম করার কথা ভাবেননি, ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, অনিয়ন্ত্রিত দিনযাপন করেছেন, একাধিকবার চোট-আঘাত লেগেছে এবং বংশগত আর্থ্রাইটিসের প্রবণতা আছে, তাঁরা বেশি বয়সে পায়ের ব্যথায় কষ্ট পান। একই সঙ্গে পা শক্ত হয়ে নাড়াচাড়া করতেও অসুবিধা হয়। এঁরা নিয়মিত সিঙ্গল লেগ স্ট্রেচ যোগাসনটি অভ্যাস করলে পায়ের শক্ত হয়ে যাওয়া অনেকাংশেই কমে যাবে। ব্যথার হাত থেকেও কিছুটা রেহাই মিলবে।

পদ্ধতি

১. মেরুদণ্ড টানটান করে মাটিতে দুই পা রেখে চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। মাথা ও ঘাড় একই সরলরেখায় থাকবে। দুই হাত রাখুন ঊরুর ওপর। চোখ বন্ধ করে মন শান্ত রেখে বসুন। আসন শুরুর প্রারম্ভিক অবস্থান এটি।

২. এবার চেয়ারের সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে আসুন। পিঠ, কোমর বা ঘাড় যেন বেঁকে না যায়। ডান পা সামনের দিকে বাড়িয়ে দিন যতটা সম্ভব।

৩. গোড়ালির ওপর পায়ের ভর রেখে পায়ের আঙুল ওপরের দিকে তুলুন। এই অবস্থানে দুই হাত বাম ঊরুর ওপর রাখতে হবে। মেরুদণ্ড সোজা রেখে সামনের দিকে ঝুঁকতে হবে। এ অবস্থানে মনে মনে ৮-১০ পর্যন্ত গুনতে হবে। আসন করার সময় শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।

৪. এবার বাঁ পা সামনের দিকে টানটান করে ডান ঊরুর ওপর দুই হাত রেখে একই পদ্ধতিতে লেগ স্ট্রেচ করতে হবে। ডান ও বাঁ পা মিলে এক রাউন্ড সম্পূর্ণ হলো।

৫. পর্যায়ক্রমে তিন রাউন্ড অভ্যাস করতে হবে। ব্যথা বেশি থাকলে প্রথমে হয়তো পা টানটান করা সমস্যা হতে পারে। বেশি জোর করবেন না। যেটুকু সম্ভব হবে ততটুকুই স্ট্রেচ করুন। ধীরে ধীরে সময় ও স্ট্রেচিং বাড়াতে হবে। কোনো অবস্থাতেই জোর করে স্ট্রেচিং করার চেষ্টা করবেন না। ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।

৬. আসন অভ্যাস শেষ হলে প্রারম্ভিক অবস্থানে এসে চোখ বন্ধ করে বসে বিশ্রাম নেবেন।

৭. আসনটি অভ্যাস করার সময় যদি সামনে ঝুঁকতে অসুবিধা হয় তবে সোজা হয়েই অভ্যাস করা উচিত। কোমরে বা পিঠে যাতে ব্যথা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

মন্তব্য