kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কুষ্টিয়ায় ১৬ একর জমি নিয়ে ‘নাটক’

একে অন্যকে দুষছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ডিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ প্রায় পাঁচ বছর আগে কুষ্টিয়া শহরে ১৬ একর জমিতে ২১২টি প্লট বানিয়ে লটারির মাধ্যমে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের মধ্যে বিতরণ করে। কিন্তু এসব প্লট এখনো বুঝে পাননি মালিকরা। উল্টো সেই জমি পুনঃগ্রহণের (রিজিউম) অভিযোগ উঠেছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া স্থাপনা নির্মাণে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ওই জমিতে মিলনায়তন নির্মাণ করছে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন বলেন, তিনি এসবের কিছুই জানেন না। আর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘জেলা প্রশাসকই আমাকে মিলনায়তন নির্মাণের কাজ শুরু করতে বলেছেন।’

১৯৬২-৬৩ সালে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ৪৬ দশমিক ২৫ একর জমি অধিগ্রহণ করে ইটভাটা স্থাপন করে। এরপর সেই জমির ৩০ একর বরাদ্দ দেওয়া হয় কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজের নামে। বাকি ১৬ দশমিক ২৫ একর জমিতে করা হয় ২১২টি প্লট। ২০১৭-১৮ সালে বরাদ্দপ্রাপ্তরা প্লট নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নামজারিও করে নেন। এ অবস্থায় ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা প্রশাসক ওই জমি পুনঃগ্রহণ করেন। তখন প্লট মালিকরা আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর ওই জমির ওপর সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন।

অভিযোগকারীরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞার পরও জেলা প্রশাসক ওই জমিতে মিলনায়তন নির্মাণের মৌখিক অনুমতি দেন। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ কুষ্টিয়ার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাজি রবিউল ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাদের নামে বরাদ্দ হওয়া জমিতে মিলনায়তন নির্মাণ করছেন।’

মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘আমাদের মৌখিক নির্দেশ অমান্য করে জেলা পরিষদ সেখানে অডিটরিয়াম নির্মাণ করছিল।’

জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, ‘কবে, কিভাবে জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম নির্মাণ শুরু করল, আমার কিছু জানা নেই। যখন আমি শুনেছি, তখন নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা