kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

স্থগিতই থাকছে খালেদার আরো চার মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্থগিতই থাকছে খালেদার আরো চার মামলা

রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং গাড়ি ভাঙচুর ও নাশকতার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা চার মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা তিনটি আবেদন নিষ্পত্তি এবং একটি আবেদন খারিজ করে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ইমান আলীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ গতকাল রবিবার এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজ উদ্দিন ফকির ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এ নিয়ে গত এক মাসে খালেদার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রাখলেন আপিল বিভাগ। এর আগে আপিল বিভাগ ১৭ আগস্ট এবং ২৩ আগস্ট পৃথক আদেশে নাশকতার অভিযোগে দারুসসালাম থানায় করা পাঁচটি ও যাত্রাবাড়ী থানার তিনটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ বহাল রাখেন।

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগের মামলা

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ড. মমতাজ উদ্দিন মেহেদি ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে (সিএমএম) মামলা করেন। এরপর আদালত খালেদা জিয়াকে হাজির হতে ওই বছরের ৩ মার্চ সমন জারি করেন। খালেদা একই বছরের ১০ এপ্রিল জামিন নেন। পরবর্তী সময়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি স্থানান্তর হয়। এরপর ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট মামলায় অভিযোগ আমলে নেন আদালত। খালেদা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিন নেন। এরপর অভিযোগ আমলে নেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

নাশকতার অভিযোগে তিন মামলা

নাশকতাসহ সহিংসতার অভিযোগে ২০১৫ সালের ৪, ১০ ও ২০ ফেব্রুয়ারি দারুসসালাম থানায় করা তিনটি মামলায় খালেদা জিয়াকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর এই অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। হাইকোর্ট একই বছরের ৯ এপ্রিল দুটি ও ৭ মে একটি মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা