kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

গাঙচিল বাহিনীর প্রধান গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর আমিনবাজার এলাকা থেকে কুখ্যাত গাঙচিল বাহিনীর প্রধান সালাউদ্দিন ওরফে এমপি সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত বৃহস্পতিবার রাতে সালেহপুর থেকে দুই সহযোগী আকিদুল ও আসাদসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, ১৯০ গ্রাম হিরোইন, ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন নজরদারির পর সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলো বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

র‌্যাব কর্মকর্তারা বলছেন, সাভার থানার এসআই হত্যা, দুই র‌্যাব সদস্যকে হত্যা এবং পুলিশ ফাঁড়ির অস্ত্র লুটসহ হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, চাঁদাবাজি মামলার আসামি সালাউদ্দিন।

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক জানান, ২০০০ সাল থেকে আমিনবাজার ও এর আশপাশের এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার মধ্য দিয়ে উত্থান হয় গাঙচিল বাহিনীর। এর প্রধান ছিলেন আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার। বেশির ভাগ সময় ঢাকার পাশের নৌপথে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় বাহিনীটির নাম দেওয়া হয় গাঙচিল। ২০১৭ সালে আনারের মৃত্যুর পর তাঁর সহযোগী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে এলাকায় আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়। এই বাহিনী মূলত আমিনবাজার, গাবতলী, ভাকুর্তা, কাউন্দিয়া, বেড়িবাঁধ, কেরানীগঞ্জ ও মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, ডাকাতি, খুনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ চালিয়ে আসছিল।

মোজাম্মেল হক বলেন, গাঙচিল বাহিনী ২০০২ সালে সাভার থানার একজন এসআইকে হত্যা, ২০০৭ সালে দুজন র‌্যাব সদস্যকে হত্যা, দিয়াবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির অস্ত্র লুট এবং আমিনবাজার এলাকায় নৌ টহলদলের অস্ত্র লুটের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই বাহিনী তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর বালুভর্তি ট্রলার, ইটের কার্গোতে ডাকাতি ও আমিনবাজার এলাকার শতাধিক ইটভাটা থেকে নিয়মিত চাঁদা সংগ্রহ করত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা