kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

স্কুলছাত্রীর অন্তর্ধান

মামলার তদন্ত সঠিক হতে হলে সবাইকে চুপ থাকতে হবে : হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জে ‘নিহত’ স্কুলছাত্রী জীবিত ফেরত আসার ঘটনার সূত্রে আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়ার সময় তাঁর পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং আসামির বক্তব্য অডিও-ভিডিও রেকর্ড করার নির্দেশনা চেয়ে করা আবেদনের ওপর আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর আদেশ দেবেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেবেন। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবীর করা এক আবেদনের ওপর গতকাল বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদেশের এই দিন নির্ধারণ করেন আদালত। আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শিশির মনির। তদন্ত কর্মকর্তার পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এদিকে হাইকোর্ট বলেছেন, কোনো মামলার তদন্ত সঠিক হতে হলে সবাইকে চুপ থাকতে হবে। তদন্ত সঠিকভাবে হতে দিতে হবে। দেখা যায়, তদন্তকালে বিভিন্নজন নানা ধরনের মন্তব্য করে থাকি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রেসব্রিফিং করা হয়। এরপর তা নিয়ে মিডিয়াতে আলোচনা-সমালোচনা হয়, যা তদন্ত কার্যক্রমকে ব্যাহত করে, প্রভাবিত করে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবার ধৈর্য ধরা উচিত।

‘ধর্ষণের পর নদীতে লাশ ফেলে দেওয়া স্কুলছাত্রীর ৪৯ দিন পর জীবিত প্রত্যাবর্তন’ শিরোনামে গত ২৪ আগস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদন যুক্ত করে পাঁচ আইনজীবী আসাদ উদ্দিন, জোবায়েদুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, আল রেজা আমির এবং মিসবাহ উদ্দিন মামলার নথি তলব চেয়ে এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত ২৫ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করেন। এ আবেদনে গত ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট এক আদেশে মামলার সাবেক ও বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেন। গতকাল নির্ধারিত দিনে সংশ্লিষ্ট মামলার নথিসহ হাজির হন তাঁরা। এর মধ্যে প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম আল মামুন আদালতকে জানিয়েছেন, মামলার বাদী যাদের আসামি করেছেন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হওয়ায় তাদের (তিন আসামি) আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। স্বীকারোক্তি আদায়ে আসামির ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা