kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

ধরলায় বাড়ছে পানি, ফের ডুবছে কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামে কয়েক দিনের বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ধরলা নদীর পানি অস্বাভাবিক গতিতে বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময় ধরলা নদীর পানি বিপত্সীমার মাত্র ১৪ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছিল। তবে পানি বাড়ার কারণে এরই মধ্যে বেশ কিছু নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার শত শত একর আমন ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বেশ কিছু ঘরবাড়িতে পানি উঠতে শুরু করেছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সারডোব এলাকায় বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে বড়লই, উত্তর কাগজীপাড়া, দক্ষিণ কাগজীপাড়া হলোখানা, সারডোব, রাঙামাটিসহ কয়েকটি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার ৮০ শতাংশ আমন ক্ষেত এখন পানির নিচে। এর মধ্যে বেশ কিছু ক্ষেত তিন থেকে পাঁচ ফুট পানির নিচে।

ভুক্তভোগী কৃষকরা জানিয়েছেন, ছয়-সাত দিন ধরে ধানক্ষেত ডুবে থাকায় ফসল পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন তাঁরা। ধানি জমির ওপর দিয়ে নৌকা চলাচল করছে। বাড়ির আশপাশের সব কাঁচা রাস্তা ডুবে যাওয়ায় চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েছে চরের মানুষ। এ কারণে অনেক পরিবার কলাগাছের ভেলা তৈরি করেছে।

অন্যদিকে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সদর উপজেলার সারডোব গ্রামে নদীর ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। গত দুই দিনে এই গ্রামের সাতটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। মঙ্গলবার এসব পরিবারকে বাড়ির মালপত্র ও কাটা গাছপালা নৌকাযোগে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৫০ মিটার অংশ। এই অবস্থা সদর উপজেলার মোঘলবাসা এলাকায়।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, পূর্বাভাস অনুযায়ী এ মাসের শেষে একটি বন্যা হওয়ার কথা থাকলেও তা আগের মতো অবস্থায় যাবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা