kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

এসব তামাশা শেখ হাসিনার আমলেই সম্ভব : রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, খিচুড়ি রান্না প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। এর আগে পুকুর খনন ও পাবদা মাছ চাষের প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো হয়েছিল। এসব অভিনব ও হাস্যকর তামাশা শুধু শেখ হাসিনার আমলেই সম্ভব। আবহমানকাল ধরেই এসব বিষয়ে সাধারণ মানুষ রপ্ত। এসব বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ পাঠানোতে একটি প্রবাদ মনে পড়ে যায়, ‘সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল।’

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, একরামুল হক বিপ্লব, সহযোগী সংগঠনের জাহিদুর রহমান জাহিদ, জাকির হোসেন রোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, মোটা অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে ফালতু কাজে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো মূলত মিডনাইট নির্বাচনে সহায়তা করার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের উপঢৌকন দেওয়া। যে সরকারের আমলে একটি বালিশের দাম সাড়ে সাত হাজার টাকা এবং একজন রোগীকে আড়াল করতে সাড়ে ৩৭ লাখ টাকার পর্দা লাগে, সেই সরকার যে আগাগোড়াই লুটপাটের চেতনায় অনুপ্রাণিত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা নিয়ে সরকার মিথ্যাচার করছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, সরকার জাতির সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরছে না। করোনা টেস্ট কমিয়ে দিয়ে করোনা রোগী নেই বলে জনগণকে ধাপ্পা দিয়ে বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এই ধাপ্পাবাজির উদ্দেশ্য হচ্ছে, করোনা থেকে দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে রাখা। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে মিথ্যাচারের যন্ত্র বানিয়েছে সরকার। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। সরকারি হিসাবে সোমবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনিক মৃত্যুতেও অনেক দেশ থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাহেব, বানোয়াট এবং অসত্য কথা বলার ফেরিওয়ালা আপনারা। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি, গত ১১ সেপ্টেম্বরের নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম দেখুন। ৮২ হাজার নয়, ৮৪ হাজার করোনা রোগী সরকারের ডাটাবেইসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ডিজি হেলথ সার্ভিস কি সরকারি, নাকি বিরোধীদলীয় প্রতিষ্ঠান?’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা