kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ভ্যাকসিন সংগ্রহের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী

অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশের জন্য করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন সংগ্রহের বিষয়টি এখন শুধু প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্বে ভ্যাকসিন আবিষ্কার এখন অ্যাডভান্স লেভেলে আছে। যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চূড়ান্ত পর্যায়ে কাজ করছে। এই ভ্যাকসিনগুলোর গুণগত মান যাচাই-বাছাই করেই প্রধানমন্ত্রী সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই গ্রহণ করবেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ভ্যাকসিন আনতে সরকারের কভিড-১৯ সংক্রান্ত সব শাখাই তৎপর রয়েছে। এই বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত খোঁজ নিচ্ছেন।’ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ওয়ালটনের সহযোগিতায় তাইওয়ান এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার কর্তৃক কভিড-১৯ মোকাবেলায় মেডিক্যালসামগ্রী হস্তান্তরের এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও বক্তব্য দেন।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনায় তিন ধরনের পরীক্ষা বর্তমানে হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে পিসিআর টেস্ট, অ্যান্টিজেন টেস্ট ও র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট। এর মধ্যে র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট করার ব্যাপারে এই মুহূর্তে কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। পিসিআর টেস্টের পাশাপাশি অ্যান্টিজেন টেস্ট শুধু সরকারি ল্যাবগুলোতেই করার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এখন হাসপাতালগুলোতে কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা অনেক কম। হাসপাতালে ৬০-৭০ শতাংশ সিট খালি থাকছে। এখন আমরা কভিড স্পেশালাইজড হাসপাতালের সংখ্যা কমিয়ে সাধারণ চিকিৎসার জন্য খুলে দেওয়ার চিন্তা করছি।’

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘বাংলাদেশ সীমিত সম্পদ দিয়ে সঠিকভাবেই কভিড-১৯ মোকাবেলা করছে।’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘করোনাকালেও গ্রামের মানুষটি পর্যন্ত উপলব্ধি করছে ডিজিটাল বাংলাদেশ না থাকলে বৈশ্বিক মহামারির এই ক্রান্তিলগ্নে মানুষের জীবনযাত্রা বিপন্ন হতো।’ অনুষ্ঠানে তাইওয়ান এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার এক লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক, এক হাজার ৬০০ এন-৯৫ মাস্ক, ২০ হাজার মাস্ক, ১০ হাজার ফেসশিল্ড, ৫০০ পিপিই, ২০০ গগলস এবং দুই সেট ভেন্টিলেটর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা