kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ঢাকা ও পাবনার উপনির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত আজ

ইসির বৈঠকে আলোচনায় থাকছে অন্যান্য ভোটও

বিশেষ প্রতিনিধি   

২৩ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঢাকা-১৮ ও পাবনা-৪ আসনে উপনির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে আজ রবিবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠকে অন্যান্য সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পদের নির্বাচন নিয়েও আলোচনা করা হবে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন গত ৯ জুলাই থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করলে শূন্য হয় ঢাকা-১৮ আসন। এই আসনের ভোটের জন্য ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে সংবিধানের ১২৩-এর ৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে দৈবদুর্বিপাকের কারণে এই সময়ের মধ্যে ভোট না করলে ইসির হাতে পরবর্তী ৯০ দিনে ভোট করার ক্ষমতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় পাবে ইসি।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু গত ২ এপ্রিল মারা গেলে পাবনা-৪ আসনটি শূন্য হয়। করোনার কারণে প্রথম ৯০ দিনে এই আসনের ভোট করেনি ইসি। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী ৯০ দিনের হিসাব অনুযায়ী এই আসনে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোট গ্রহণ করতে হবে।

বৈঠকের নোটিশে বলা হয়েছে, ওই দুটি উপনির্বাচন ছাড়াও অন্যান্য নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে। আরো তিনটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে ইসিকে।

গত ৬ মে হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে শূন্য হয় ঢাকা-৫ আসন। এ আসনেও করোনার কারণে ভোট করেনি ইসি। এখানেও পরবর্তী ৯০ দিনের হিসাব অনুযায়ী ভোট করতে হবে ১ নভেম্বরের মধ্যে। সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম গত ১৩ জুন মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে শূন্য হওয়া সিরাজগঞ্জ-১ আসনেও পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ভোটের সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই আসনে ভোটের সময় পাওয়া যাবে।

সম্প্রতি নওগাঁ-৬ আসনটি শূন্য হয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করায়। প্রথম ৯০ দিনের হিসাবে এখানে ২৪ অক্টোবরের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আর সিইসি তাঁর ক্ষমতা প্রয়োগ করলে ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় মিলবে। এসব নির্বাচন ছাড়াও স্থানীয় সরকারের প্রায় ৩০০ পদে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হবে বলে বৈঠকের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর কয়েক দিন আগে কালের কণ্ঠকে বলেন, ইসির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু করা হবে আর নভেম্বর থেকে জাতীয় সংসদের শূন্য আসনগুলোর নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। এসব নির্বাচনের জন্য আর সময় ক্ষেপণ করা হবে না। চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচন এমন সময় করা হবে যাতে এ সিটির প্রশাসকের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই নির্বাচিত নতুন মেয়র দায়িত্ব নিতে পারেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা