kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

সহপাঠীদের বেঁধে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর ও বামনা প্রতিনিধি   

১৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরগুনার বামনা উপজেলার হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শেষে সহপাঠীদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন দুই ছাত্রী। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মাঝেরপুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সঙ্গে থাকা দুই সহপাঠীকে মারধর করে বেঁধে রেখে দুই ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর অভিভাবকদের ফোন দিয়ে ১৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনায় গতকাল শুক্রবার ভুক্তভোগী এক ছাত্রী মঠবাড়িয়া থানায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলায় যে চারজনের নাম রয়েছে তাঁরা হলেন মঠবাড়িয়া উপজেলার উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মো. খলিলের ছেলে মো. রানা (৩২), মো. কালামের ছেলে মো. মারুফ (২০), মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে মো. আবু বক্কর সাগর (৩০) ও সিদ্দিক ফরাজির ছেলে মো. সোহাগ (২৫)। তাঁদের মধ্যে সাগরকে চড়খালী ফেরিঘাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে মঠবাড়িয়া থানার পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার দুই ছাত্রী জানান, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কাগজপত্র জমা দেন তাঁরা। এরপর দুপুরে প্রতিবেশী সহপাঠী সোহাগ খান (২০) ও শাহাদােক (২১) নিয়ে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার হরিণপালা ইকো পার্কে ঘুরতে যাওয়ার জন্য মঠবাড়িয়ায় পৌঁছান। সেখান থেকে একটি ইজি বাইকে করে তাঁরা হরিণপালার উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে উত্তর মিঠাখালী গ্রামের মাঝেরপুল নামক স্থানে ইজি বাইকটি নষ্ট হয়ে যায়। এ সময় রানা, মারুফ ও সোহাগ নামের তিনজন তাঁদের জিম্মি করেন। পরে আরো কয়েকজন যোগ দেন। এরপর সহপাঠী সোহাগ ও শাহাদােক মারধর করে বেঁধে রেখে স্থানীয় আর্শেদ মিয়ার বাড়ির সামনের সরকারি পুকুরপারে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মারধর করে মোবাইল ফোনসেট ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে আড়ালে নিয়ে তাঁদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা