kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বন্যাদুর্গতরা ঘরে ফিরছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। পানি সরে যাওয়ায় অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। তবে বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে আমাশয়-ডায়রিয়াসহ নানা পানিবাহিত রোগ। বন্যাদুর্গত এলাকায় এখনো রয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। এ ব্যাপারে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)  গোয়ালন্দে পদ্মা নদীর পানি কমে এলাকার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সূত্র জানিয়েছে, গতকাল বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টা পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে সাত সেন্টিমিটার পানি কমে বিপত্সীমার দুই সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এদিকে পদ্মায় পানি কমলেও নদীতে বয়ে যাওয়া স্রোতের গতি কমেনি।

কুড়িগ্রাম : বন্যার কারণে কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে গরুর ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজসহ নানা রোগ। এই রোগের কারণে মারা যাচ্ছে গরু, ছাগল ও ভেড়া। তিন দফা বন্যায় গো-খাদ্য সংকট, মশামাছি ও বন্যার পানিতে চলাফেরার কারণে এসব গরু-ছাগল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকরা জানান, কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় সাড়ে চার শতাধিক চরে লোকজন বসবাস করে। ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি গবাদি পশু পালনই হচ্ছে চরবাসীর আয়ের প্রধান উৎস।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানিয়েছে, চলতি বন্যায় প্রায় চার হাজার গরু লাম্পি স্কিন ডিজিজসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

গুরুদাসপুর (নাটোর) : গুরুদাসপুরে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কিছুটা কমলেও দুর্ভোগে দিন কাটাতে হচ্ছে বন্যাকবলিত মানুষের।

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) : গফরগাঁওয়ে বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হওয়ায় বাড়িঘরে ফিরেছে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা দুই শতাধিক পরিবার। ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে পৌর শহরের চর শিলাসী, চর ষোলহাসিয়া, চর জন্মেজয়ের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়। রাস্তা ও আবাদি জমি তলিয়ে গেছে। অনেকের বাড়িঘরে পানি ওঠে। এতে শ্রমজীবী বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়ে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা