kalerkantho

শনিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৮ সফর ১৪৪২

ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি বিএনপি নেতারা। গত শনিবার বিকেলে দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন সেখানে উপস্থিত একাধিক নেতা। তাঁরা জানিয়েছেন, ঢাকা-১৮ ও ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি দলীয়ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৈঠকের পর গতকাল রবিবার গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠায় বিএনপি। তাতে বলা হয়েছে, বৈঠকে দলের নেতারা দেশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

জানা গেছে, বৈঠকে আলোচ্যসূচি নিয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাই এই বিষয়ে কোনো নেতাই বক্তব্য দেননি।

তবে সেখানে উপস্থিত দুই নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, দলের সাংগঠনিক অবস্থা, খালেদা জিয়ার মামলা, ঢাকা-১৮ ও ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনসহ অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পরবর্তী কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে একপর্যায়ে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি নেতারা। এ ছাড়া খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে পরবর্তী সময়ে কী করণীয়, সে সম্পর্কে আলোচনা করেন নেতারা। আপাতত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন নেতারা। তাই এখনই খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিকভাবে সামনে না আনার পক্ষে মত দেন বেশির ভাগ নেতা।

এদিকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশের গুলিতে যেভাবে হত্যার ঘটনা বেড়ে চলেছে, তাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানানোর জন্য সংবাদ সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, বৈঠকে স্কাইপের মাধ্যমে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিঞা, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা