kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

মানিকগঞ্জ শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড

নতুন যন্ত্রণা জলাবদ্ধতা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্যার পানি নেমে গেলেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন এলাকায়। অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণই এ জলাবদ্ধতার কারণ। জলাবদ্ধতার কারণে সহস্রাধিক পরিবার রয়েছে দুর্ভোগে। বহুতল ভবনে বাস করলেও বাড়ি থেকে বের হতে একটি বাঁশের সাঁকোই ভরসা। নয়তো ভাঙতে হয় হাঁটু বা কোমরসমান নোংরা পানি। পচা পানির দুর্গন্ধে এলাকায় এখন টেকা দায়!

মানিকগঞ্জ শহর এমনিতেই নিচু এলাকা। ১৯৯৮ সালের পর এবারের বন্যায় সর্বোচ্চ উচ্চতায় মানিকগঞ্জ পৌর এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই কয়েক বছরে পৌর এলাকায় গড়ে উঠেছে গাঘেঁষে অনেক ঘরবাড়ি। এর বেশির ভাগই বহুতল ভবন। কিন্তু মালিকরা নিরাপদ উচ্চতায় বাড়ি নির্মাণ করলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণের দিকে নজর দেননি। পৌরসভা থেকেও রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতিটি ঘরবাড়ি ঘিরে নিচু খালি এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ডোবা। এবারের বন্যায় বড় বড় রাস্তা উপচে পানি ঢুকে পড়েছে ওই সব ডোবায়। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এখন পানি কমে গেলেও রাস্তা টপকে ডোবার পানি বের হতে পারছে না।

সবচেয়ে দুর্ভোগে আছে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম দাশড়া মৌজা। এটাই পৌর এলাকার সবচেয়ে বড় মৌজা। উত্তর দিকে গার্লস স্কুল সড়ক, পশ্চিমে বেওথা সড়ক, দক্ষিণে রমজান আলী সড়ক এবং পূর্বে বাজার সড়ক ঘিরে রেখেছে এলাকাটি। এবারের বন্যায় রমজান আলী সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এই এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে। প্রত্যেক বাড়িঘরের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এলাকাবাসী চাঁদা তুলে একটি বাঁশের সাঁকো বানিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে। কেউ কেউ ছোট নৌকা কিংবা কলাগাছের ভেলা বানিয়ে নেয়।

৬ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার সুভাষ সরকার বলেন, জলাবদ্ধতার বিষয়টি জানা ছিল না। এরই মধ্যে মেয়রের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রয়োজনে পাম্প মেশিন বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা