kalerkantho

শুক্রবার । ৭ কার্তিক ১৪২৭। ২৩ অক্টোবর ২০২০। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

৯-৫টা অফিস শুধু কর্মকর্তাদের জন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস শুধু পদস্থ কর্মকর্তাদের বেলায় প্রযোজ্য হবে। সকল পর্যায়ের কর্মচারীদের শতভাগ অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে এ বিষয়ে মৌখিক আদেশ দেওয়া হয়েছে। এর আলোকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। তবে অসুস্থ, বেশি বয়স্ক, ঝুঁকিপূর্ণ এবং সন্তানসম্ভবা নারীদের অফিসে আসতে হবে না। সচিবালয়ের ক্ষেত্রে সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত সুস্থ থাকা সবাই নিয়মিত অফিস করবেন। আর সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মচারীদের মধ্যে কাদের উপস্থিত থাকা দরকার তা নির্ধারণ করবেন স্ব স্ব অনুবিভাগের প্রধানরা।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শতভাগ অফিসে আসার কথা বলা হয়নি। শুধু কর্মকর্তাদের জন্য এটা করা হয়েছে। আর কর্মকর্তাদের কাজের প্রয়োজনে যেসব কর্মচারীকে অফিসে ডাকার প্রয়োজন হবে শুধু তাঁদেরকেই অফিস করতে হবে। এ কারণে সব কর্মচারীকে তাঁর কর্মস্থল এলাকায় থাকতে হবে। অফিস ডাকলে যেন যেকোনো সময় অফিসে উপস্থিত হতে পারেন।

গত ৩ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক আদেশে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশব্যাপী নিয়ন্ত্রিত চলাচল অব্যাহত রাখতে ১০ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে চলাচলের যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল সেগুলোই বহাল রাখা হয়েছে। তবে ৩ আগস্টের নির্দেশনায় ‘সীমিত পরিসর’ কথাটা না রেখে ‘শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে নিয়ন্ত্রণের মেয়াদ’ উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের নির্দেশনার ৫ নম্বরে বলা হয়েছে, ‘সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/ বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ, অসুস্থ এবং সন্তানসম্ভবা নারীগণ কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সীমিত পরিসর’ উঠিয়ে দিয়ে কাজের পরিধি একটু বাড়ানো হয়েছে। তাই এখন সব কর্মকর্তাকে অফিসে আসতে হবে। আর এ মাসে যদি করোনাভাইরাস সংক্রমণের ধারা একইভাবে চলতে থাকে বা কমে তাহলে আগামী মাস থেকে পূর্ণ স্বাভাবিক অফিসের দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সীমিত পরিসরে সব কিছু খোলার পর অন্তত ২৫ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে অফিস পরিচালনা করা যাবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। এখন মন্ত্রিপরিষদের মৌখিক নির্দেশনার আলোকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ স্ব স্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য লিখিত আদেশ জারি করছে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বন্যা এবং করোনার কারণে আন্তমন্ত্রণালয় কাজের যোগাযোগ বেড়েছে। এ কারণে কাজের গতি বাড়াতে হচ্ছে। তবে শতভাগ অফিসে উপস্থিত হওয়ার দরকার হবে না। সংশ্লিষ্ট অফিসের অফিসপ্রধানরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় জনবল অফিসে উপস্থিত রেখে কাজ করবেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা