kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

অর্থ আত্মসাৎ মামলা

রিজেন্টের সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট

আরেক মামলায় এমডি মিজানুরের জামিন মেলেনি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রিজেন্টের সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট

অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের উপস্থিতিতে আগামী ১০ আগস্ট রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এই দিন ধার্য করেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আসামি সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

এদিকে মেট্রো রেল প্রকল্পে কর্মরত ৭৬ শ্রমিককে করোনাভাইরাসের নমুনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমানের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালত এই আদেশ দেন।

গত ২৭ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে সাহেদ, ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. মাহবুবুল হক চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের এমডি রাশেদুল হক চিশতি এবং রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মো. ইব্রাহিম খলিলের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রিজেন্ট হাসপাতালের জন্য এমআরআই মেশিন কিনতে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখায় ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে দুই কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেন মো. সাহেদ। অথচ ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা ও ক্রেডিট রিস্ক গ্রেডিং নিরূপণ না করেই ব্যাংকের পক্ষে মাহবুবুল হক চিশতী ঋণ অনুমোদন করেন। পরে ওই বছরের ১৫ জানুয়ারি ২১তম সভায় সাহেদের অনুকূলে দুই কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন হয়। পে অর্ডারের মাধ্যমে এবং এমআরআই মেশিন কেনা হয়েছে, এমন জাল কাগজপত্র দেখিয়ে ২১ জানুয়ারি শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের উত্তরা মহিলা শাখার মাধ্যমে দুই কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়। তবে শর্তানুযায়ী এক কোটি টাকার এফডিআর করতে হয় সাহেদকে। কোনো কিস্তি পরিশোধ না করায় ঋণ হিসাবটি অনিয়মিত হওয়ায় ব্যাংকের কাছে থাকা ওই এফডিআর থেকে এক কোটি টাকা সমন্বয় করা হয়। বাকি এক কোটি টাকা আনাদায়ী থেকে যায়, যা এখন সুদসহ দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা হয়েছে। সাহেদ ঘুষ বাবদ ৩৫ লাখ টাকা বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমেটেড নামের প্রতিষ্ঠানের হিসাব নম্বরে জমা করেন। প্রতিষ্ঠানটির এমডি রাশেদুল হক চিশতি।

মিজানুরের জামিন : আদালতে আসামি মিজানুরের পক্ষে তাঁর আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।

এদিকে গত বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লার আদালতে মিজানুর দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা