kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মোহাম্মদপুরের ফ্ল্যাটে কিশোরীর গলিত লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এক কিশোরীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার নাম জেরিন আক্তার। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের ৫ নম্বর হাউজিংয়ের ৩ নম্বর ভবনের দোতলার ফ্ল্যাট থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তাকে হত্যা করা হয়েছে, নাকি সে আত্মহত্যা করেছে, প্রাথমিক তদন্তে তা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, গলিত অবস্থায় ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি ডাইনিং স্পেসে পড়ে ছিল। ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো দেখা গেছে। আবার মেঝেতে জমাট বাঁধা রক্তও পাওয়া গেছে। লাশটি গলে যাওয়ায় তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।

ওই কিশোরীর নাম-পরিচয় নিয়েও সন্দেহ রয়েছে জানিয়ে ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মেয়েটির নাম জেরিন আক্তার এবং গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর বলা হলেও এটাই সঠিক পরিচয় কি না, তা যাচাই-বাছাই চলছে। যে ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকেন রত্না নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। ওই ফ্ল্যাটেই থাকত মেয়েটি। ঈদ উপলক্ষে রত্না ফ্ল্যাটটি থেকে চলে যান। এরপর গতকাল বাসায় ফিরে মেয়েটির লাশ পড়ে থাকতে দেখে রত্না পুলিশকে জানান।

রত্না পুলিশকে জানান, ঈদের দিন তিনি এক নিকটাত্মীয়ের বাসায় যান। এরপর মেসে ফিরে তাঁর কাছে থাকা চাবি দিয়ে দরজা খুলেই দুর্গন্ধ পান তিনি। এরপর ভেতরে ঢুকে জেরিনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি ভয় পেয়ে চিৎকার দিয়ে বের হয়ে যান।

জেরিন সম্পর্কে রত্না জানান, গত মার্চ মাস থেকে এই ফ্ল্যাটে আছেন তিনি। তার আগে থেকেই জেরিন এখানে থাকত। জাকিয়া নামের এক নারী এই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মেস বানিয়েছিলেন। মেসের অন্য সদস্যরা ঈদের আগে যে যার মতো করে চলে যায়। এরপর ঈদের দিন তিনি বাসা  থেকে  বেরুনোর সময় জেরিন একাই ফ্ল্যাটে ছিল। 

রত্না পুলিশকে জানান, জেরিন মোহাম্মদপুরের একটি স্কুলে ক্লাস নাইনে পড়ত বলে দাবি করত। তবে  মেসে তার বইপত্র খুব একটা ছিল না, দিনের বেলায় বেশির ভাগ সময় সে ঘুমাত, সন্ধ্যার দিকে বের হয়ে রাতের কোনো একসময় বাসায় ফিরত। সেই সঙ্গে গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল ফোনে কথা বলত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা