kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বিএমএর চিঠি

পরিস্থিতি অস্থির করার অভিযোগ

পরিপত্র প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) মন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন ভূমিকায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক দপ্তরের কিছু ‘আকস্মিক ও অবৈজ্ঞানিক’ আদেশ, পরিপত্র ও নির্দেশনা গোটা পরিস্থিতিকে অস্থির করে তুলেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বরাবর পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও সমন্বয়হীনতার কারণে অসংখ্য চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন এবং তাঁদের অনেকে অকাল মৃত্যুবরণ করেছেন। এসব ঘটনা আমাদের বিষণ্ন করে তুলেছিল। কিন্তু মধ্য এপ্রিলের পর সরকারপ্রধানের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতির ক্রমোন্নতিতে আমরা আশার আলো নিয়ে নিরন্তর এক কঠিন সংগ্রামে আস্থাশীল হয়েছিলাম। কিন্তু প্রায়ই পরিলক্ষিত হচ্ছে, যখনই দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা তার সব স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রবাহিত হয়, তখনই আপনার মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক দপ্তরের কিছু আকস্মিক ও অবৈজ্ঞানিক আদেশ, পরিপত্র ও নির্দেশনা গোটা পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল অত্যন্ত সুকৌশলে চিকিৎসকদের জনগণ কিংবা সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।’

সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রের বিষয়টি উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিংবা চিকিৎসাবিজ্ঞানের নিয়মবহির্ভূত আদেশে দেশের সব চিকিৎসক ক্ষুব্ধ। চিকিৎসকদের করোনাকালীন কর্মঘণ্টা ও কোয়ারেন্টিনে থাকার অবৈজ্ঞানিক পরিপত্রটি বিএমএ প্রত্যাখ্যান করছে। পরিপত্রটি প্রত্যাহারের অনুরোধও জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠনটি। এ বিষয়ে চলমান ব্যবস্থা বহাল রেখে দ্রুত দেশের চিকিৎসকদের একমাত্র জাতীয় সংগঠন বিএমএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি বিজ্ঞানসম্মত উপায় বের করা কোনো সমস্যা নয় বলে সংগঠনের নেতারা মনে করছেন।

চিঠিতে দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘পরিপত্র জারির ফলে আর কোনো চিকিৎসকের সংক্রমণ-মৃত্যু কিংবা এ কারণে তাঁদের পরিবারের কোনো সদস্যের সংক্রমণ-মৃত্যুর কারণ যেন না হয় সে ব্যাপারে আমাদের সবাইকে আরো সচেষ্ট, সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা