kalerkantho

শনিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৭। ২৪ অক্টোবর ২০২০। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে পোশাককর্মীকে ধর্ষণ

পৃথক স্থানে শাশুড়িকে ‘ধর্ষণ’, শিশুকে যৌন নিপীড়ন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৬ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পোশাক কারখানার এক কর্মীকে তাঁর বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে নওগাঁর ধামইরহাটে বৃদ্ধ নারীকে ধর্ষণ এবং বাগেরহাটের কচুয়ায় শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধামইরহাটের ঘটনায় অভিযুক্ত জামাইয়ের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা করেছেন শাশুড়ি। কচুয়ার ঘটনায় একই রাতে মামলা করেছেন শিশুটির বাবা। চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানা এলাকায় তিন কিশোরী ধর্ষণ মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের বিদুরিয়া গ্রামে গত সোমবার রাতের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতের নাম সোলায়মান খান (৪২)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মতিউর রহমান জানান, বিদুরিয়ার রফিক মিয়ার ছেলে পোশাককর্মী মুন্না মিয়া ভুক্তভোগী তরুণীকে (২৪) ৩১ জুলাই রাতে বিয়ে করার কথা বলে বিদুরিয়ায় নিয়ে আসেন। তবে উভয়েই বিবাহিত হওয়ায় মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী বিয়েতে দিতে বাধা দেয়। একপর্যায়ে মুন্নার পরিবার ও গ্রামবাসী মোবাইল ফোনে তরুণীর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মেয়েকে গাড়িতে উঠিয়ে গাইবান্ধায় পাঠিয়ে দিতে অনুরোধ করেন। ৩ আগস্ট রাতে মুন্নার প্রতিবেশী সোলায়মানকে তরুণীটিকে গাড়িতে উঠিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি তরুণীকে বাড়ি থেকে কিছু দূরে সামাজিক বনের ভেতর নিয়ে ধর্ষণ করেন। রাতেই তরুণী ঘাটাইল থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।

ধামইরহাট থানায় মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২৯ জুলাই সকালে এক নারী (৭০) তাঁর মেয়ের জামাইকে (৫০) নিয়ে উপজেলার উমার ইউনিয়নে ঝাঁটা তৈরির কুশ কাটতে যান। বিকেলে কুশ কেটে বাড়ি ফেরার পথে মাঠে জামাই শাশুড়িকে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা গতকাল বুধবার নওগাঁ সদর হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে।

কচুয়ায় মামলার আসামির নাম ইয়াকুব আলী হাজরা (৭০)। তিনি কচুয়া সদর ইউনিয়নের চিংড়াখালী গ্রামের সাহা হাজরার ছেলে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গত সোমবার সকালে ইয়াকুব আলী বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে তাঁর ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। শিশুটি বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কচুয়া থানার ওসি শেখ শফিকুর রহমান জানান, শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সেগুনবাগান ৫ নম্বর লেনের কামাল উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ লিটন (৩৭), লালখানবাজার তুলাপুকুরপাড় এলাকার শাহজাহান সরদারের ছেলে সোহেল রানা রাজু (২৮) এবং (ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে) ওমর ফারুক (৪৬)।

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কালের কণ্ঠ’র নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিরা]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা