kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

মুক্তিযোদ্ধা রাজনীতিকসহ আরো ছয়জনের মৃত্যু

করোনাভাইরাসের উপসর্গ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মুক্তিযোদ্ধা রাজনীতিকসহ আরো ছয়জনের মৃত্যু

চাঁদপুরে নতুন করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা আব্দুল জাব্বার মাস্টার (৭০) মারা গেছেন। গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। একই উপসর্গ নিয়ে আরো দুই জেলায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। এর মধ্যে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের কভিড-১৯ ইউনিটে মঙ্গলবার সকাল থেকে গতকাল বুধবার দুপুর পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

চাঁদপুর : জেলার হাইমচর উপজেলার চরকৃষ্ণপুর গ্রামের বাড়িতে কয়েক দিন আগে সর্দি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন আব্দুল জাব্বার মাস্টার। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে আসে স্বজনরা। রাতে আরো অবনতি হলে অ্যাম্বুল্যান্সযোগে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। গত ২ জুলাই করোনা পরীক্ষার জন্য তাঁর নমুনা নেওয়া হয়। তবে রিপোর্ট এখনো আসেনি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জাব্বার মাস্টারকে দাফন করা হয়েছে বলে জানান হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন।

একসময় মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য আব্দুল জাব্বারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল হাইমচর বাঁচাও আন্দোলন। হাইমচর উপজেলা জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ছিলেন তিনি।

কুমিল্লা : কুমেক হাসপাতালে মৃত ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাতাবাড়িয়া এলাকার শহীদুল ইসলাম (৪২), দেবীদ্বার উপজেলার ওয়ারিশ মিয়া (৬০), কুমিল্লার সদর উপজেলার গোবিন্দপুরের মফিজুর রহমান (৫০) এবং হোমনা উপজেলার ছোটগড়া এলাকার সালেহা বেগম (৬৫)। চারজনই আইসোলেশন ওয়ার্ডে মারা যান।

সাতক্ষীরা : গতকাল সকালে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ (সামেক) হাসপাতালের আইসোলেশনে মৃত্যু হয় এক অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীর। মৃত আমজাদ হোসেন (৬৫) জেলার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর গ্রামের গোলাম সরদারের ছেলে। হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. ভবতোষ কুমার মণ্ডল জানান, মঙ্গলবার দুপুরে জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে ভর্তি হন আমজাদ হোসেন। তাঁর মৃত্যুর পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন আমজাদ হোসেনের বাড়িসহ কয়েকটি বাড়ি লকডাউন করেছে।

এ নিয়ে সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গে ৩২ জনের মৃত্যু হলো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা